পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের নওদায় ভোটের দিন সকাল থেকেই অশান্তির আবহ তৈরি হয়। তৃণমূল কংগ্রেস ও আমজনতা উন্নয়ন পার্টির সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের খবর সামনে আসে। অভিযোগ, শিবনগর এলাকা থেকে বেরোনোর সময় আমজনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীরের ওপর হামলা চালানো হয়। তাঁর কনভয়ের একটি গাড়িতে ভাঙচুরের পাশাপাশি পোলিং এজেন্টের গাড়িতেও ইট ছোড়া হয় বলে দাবি।
আরও পড়ুন:
ঘটনার জেরে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে আমজনতা উন্নয়ন পার্টি। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, হামলার অভিযোগের ভিত্তিতে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে।
আরও পড়ুন:
এর আগে নওদার ১৭৩ নম্বর বুথে হুমায়ুনের পোলিং এজেন্টকে বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ঘিরেই প্রথম উত্তেজনা ছড়ায়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই দুই পক্ষের মধ্যে বচসা থেকে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। হুমায়ুনের শিবির তৃণমূলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুললেও পাল্টা তৃণমূলের দাবি, আগের দিন রাতে এলাকায় যাঁরা বোমাবাজি চালিয়েছিলেন, তাঁদের সঙ্গেই ভোটের সকালে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন হুমায়ুন।
আরও পড়ুন:
পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন হুমায়ুন ঘটনাস্থলে পৌঁছন।
ধাক্কাধাক্কি ও সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে বেগ পেতে হয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে। এক পর্যায়ে রাস্তায় বসে পড়েন হুমায়ুন কবীর এবং ঘোষণা করেন, তিনি নওদা ছেড়ে যাবেন না। পরে সেখান থেকে সরে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাঁর ওপর হামলা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।আরও পড়ুন:
এই প্রসঙ্গে নওদা ব্লক তৃণমূল সভাপতি শফিউজ্জামান শেখ বলেন, আগের দিনের বোমাবাজির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নিয়েই হুমায়ুন এলাকায় ঘুরছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁদের কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে, বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে এবং কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। এই সব ঘটনার নেপথ্যে হুমায়ুনের হাত রয়েছে বলেই অভিযোগ তোলেন তিনি।