পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: শেখ হাসিনার স্বৈরশাসনে ভয়ংকর সব মানবতা বিরোধী অপরাধ হয়েছে বাংলাদেশে। বিরুদ্ধমতকে দমাতে গুম করে বন্দি করে রাখা হয়েছে আয়না ঘরে। সেসব গোপন বন্দিশালা ছিল লোকচক্ষুর অন্তরালে। রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় আটটি গোপন আটককেন্দ্র খুঁজে পাওয়ার কথা জানিয়েছে গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। তবে তদন্তের স্বার্থে এই আটক কেন্দ্রগুলো কাদের দ্বারা পরিচালিত হতো সে সম্পর্কে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।
মঙ্গলবার গুলশানে গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের কার্যালয়ে কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়। কমিশনের সদস্য নূর খান লিটন বলেছেন, ‘আমরা র্যাব পরিচালিত একটি সেল পেয়েছি, যেটি ছিল মাত্র ৩.৫ বাই ৪ ফুট। সেখানে আলো ঢোকার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। একটি ড্রেন ছাড়া সেখানে কোনো স্যানিটেশন ব্যবস্থাও ছিল না। এমন পরিবেশেই বন্দিদের বছরের পর বছর ধরে সেখানে রাখা হয়।’আরও পড়ুন:
Read More: রাষ্ট্রসংঘ থেকে ইসরাইলের সদস্যপদ বাতিলের দাবি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর
আরও পড়ুন:
কমিশন গুমের ৪০০টি অভিযোগ যাচাই-বাছাই করেছে, যার মধ্যে ১৭২টি ঘটনায় র্যাব, ৩৭টি ঘটনায় পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি), ২৬টি ঘটনায় ডিরেক্টরেট জেনারেল ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্স (ডিজিএফআই), ৫৫টি ঘটনায় গোয়েন্দা শাখা, ২৫টি ঘটনায় পুলিশ ও ৬৮টি ঘটনায় অন্যান্যদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। কমিশনের আরেক সদস্য নাবিলা ইদ্রিস বলেন, ‘আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলো প্রমাণ নষ্ট করছে। তারা সেল ও দেয়াল ভেঙে ফেলছে। যেসব বাহিনী প্রমাণ নষ্ট করছে তারা আমাদের সহযোগিতা করছে না। এখনকার কর্মকর্তারাও আগের কর্মকর্তাদের অপরাধে জড়িত ছিলেন।’