পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরে যোগ দেওয়ার পরেই ফেসবুক লাইভে এসে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। এবার সেই মন্তব্যের জেরেই কড়া আইনি পদক্ষেপের মুখে পড়লেন তিনি। মঙ্গলবার আইনজীবীর মাধ্যমে ইমেল এবং স্পিড পোস্টে মদন মিত্রকে ১০ কোটি টাকার মানহানির নোটিস পাঠিয়েছেন অভিষেক।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, গত ১৯ জুলাই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে ৭ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডের একটি লাইভ করেছিলেন মদন মিত্র।
আইনি নোটিসে অভিযোগ করা হয়েছে যে, ওই ভিডিওর ঠিক ৬ মিনিট ৫৫ সেকেন্ডের মাথায় অভিষেককে ‘ক্রিমিনাল’ এবং ‘খুনি’ বলে আক্রমণ করেন কামারহাটির বিধায়ক। এমনকি টাকার বিনিময়ে ‘সুপারি’ দিয়ে মানুষ খুন করানোর মতো মারাত্মক অভিযোগও আনা হয় ওই লাইভে। নোটিসে দাবি করা হয়েছে, ডায়মন্ড হারবার থেকে টানা তিন বার নির্বাচিত সাংসদ অভিষেকের জনমানসে থাকা ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যেই সম্পূর্ণ মিথ্যা, মনগড়া এবং বিদ্বেষপ্রসূতভাবে এই মন্তব্যগুলি করা হয়েছে।আরও পড়ুন:
এই সম্মানহানির কারণে নোটিসে মদন মিত্রের কাছে ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
পাশাপাশি জানানো হয়েছে, ক্ষতিপূরণ হিসেবে পাওয়া এই বিপুল অর্থ একটি রেজিস্টার্ড ট্রাস্টে জমা করা হবে। পরবর্তীতে সেই টাকা তৃণমূলের দলত্যাগী সাংসদ ও বিধায়কদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ এবং রাজনৈতিক হিংসার শিকার হওয়া নেতা-কর্মীদের আইনি লড়াই ও পুনর্বাসনের কাজে ব্যবহার করা হবে।আইনি নোটিসে কামারহাটির বিধায়ককে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে প্রকাশ্যে লিখিত এবং ভিডিও বার্তার মাধ্যমে এই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তাঁর তরফ থেকে সন্তোষজনক জবাব না পেলে মদন মিত্র এবং তাঁর এই বক্তব্যের নেপথ্যে যুক্ত থাকা সকলের বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা দায়ের করা হবে।