পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: হরিয়ানার নূহতে জলাভিষেক যাত্রার সময় হিংসায় উসকানিতে অভিযুক্ত বিট্টু বজরংগিকে জামিন দিল আদালত। বিট্টু বজরংগি ওরফে রাজকুমারকে ১৫ আগস্ট ফরিদাবাদ থেকে গ্রেফতার করা হয়। ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ড এবং শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার নির্দেশ দিয়ে তার জামিন মঞ্জুর করে আদালত।

নূহ শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন বিট্টু বজরংগি।
তাঁর বিরুদ্ধে উত্তেজক ভিডিয়ো ক্লিপ শেয়ার করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। র‌্যালিতে অংশগ্রহণের আগে যে ভিডিয়োটি বিট্টু শেয়ার করে সেখানে তাকে গেরুয়া পোশাকে দেখা যায়। ভিডিয়োটিতে ব্যাকগ্রাউন্ড সং চলছিল ‘গোলি পে গোলি চলেগি, বাপ তো বাপ রহেগা।’ এই ভিডিয়োর বিরুদ্ধে ডবুয়া ফরিদাবাদে বিট্টুর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

শুধু হিংসায় ইন্ধন যোগানোই নয় তার বিরুদ্ধে তলোয়ার নিয়ে ধর্মীয় শোভাযাত্রার অংশগ্রহণ, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, অস্ত্র ছিনতাই এবং পুলিশের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগও রয়েছে। এসএসপি ঊষা কুণ্ডুর অভিযোগের ভিত্তিতে নূহর সদর পুলিশ থানায় একটি এফআইআর দায়ের করা হয়। একদিনের রিমান্ডে নেওয়ার পরের দিন পুলিশ বজরংগির হেফাজত থেকে ৮টি তলোয়ার বাজেয়াপ্ত হওয়ার কথা জানায়।

মঙ্গলবার বিট্টুর পক্ষে জামিনের আবেদন করেন আইনজীবী এলএন শর্মা এবং সোমদত্ত পরাশর।
যা নিয়ে বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত দায়রা জজ সন্দীপ  দুগ্গলের আদালতে শুনানি হয়। তদন্তকারী আধিকারিক এবং সরকারি আইনজীবী পুলিশের পক্ষে তার জামিন মঞ্জুরের বিরুদ্ধে সওয়াল করেন।

আইনজীবী পরাশর যুক্তি দেন বিট্টুকে ঘটনার ১৫ দিন পরে গ্রেফতার করা হয়েছিল। বিট্টুকে জামিন দেওয়া উচিত নয় কেন এর স্বপক্ষে কোনও প্রমাণও দাখিল করতে পারেনি পুলিশ। আইনজীবীর আরও বক্তব্য এর আগে সহিংসতায় অভিযুক্তদের মধ্যে তাওয়াড়ুর শিকারপুরের বাসিন্দা  তারিখকে জামিন দিয়েছিল আদালত। বিট্টুকে ৩১ জুলাই সহিংসতার ঘটনায় ১৫ আগস্ট দুপুর ২.৩০ মিনিটে তার ফরিদাবাদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে নূহ ক্রাইমব্রাঞ্চের একটি দল। সেসময় বিট্টু একটি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিচ্ছিল।