পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাঝামাঝি নাগাদ। শুক্রবার লন্ডনের এক হোটেলে অনুষ্ঠিত বৈঠকে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে একমত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং বিএনপি-র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আরও পড়ুন:
বিএনপি-র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আগামী রমজানের আগেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তাব দেন। এদিনের বৈঠকে তারেক রহমানের দেওয়া প্রস্তাবে সায় দিয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হলে রমজানের আগের সপ্তাহেও নির্বাচন হতে পারে।বৈঠক শেষে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, ‘শিগগিরই নির্বাচন কমিশন তারিখ ঘোষণা করবে।
এরই মধ্যে নির্বাচনের সম্ভাব্য তারিখ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়ে গেছে।’আরও পড়ুন:
নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সূত্র জানিয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে নির্বাচন হতে পারে। শুক্রবার লণ্ডনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তারেক রহমান নির্বাচনী ইস্যুতে প্রধান উপদেষ্টার অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে তার দলের পক্ষ থেকে ড.ইউনুসকে ধন্যবাদ জানান।
আরও পড়ুন:
ইউনূসও ফলপ্রসূ আলোচনার জন্য ধন্যবাদ জানান তারেক রহমানকে। বৈঠকে দুই শীর্ষ নেতা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং বিএনপি-র স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে শুক্রবার ঢাকার গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক বৈঠকে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি-র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে ড. ইউনুসের বৈঠকটি অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ হয়েছে।
লণ্ডনে অনুষ্ঠিত বৈঠককে ‘সত্যিকার অর্থে একটি টার্নিং পয়েন্ট’ বলেও তিনি মন্তব্য করেন।আরও পড়ুন:
চাঁদ দেখা গেলে আগামী বছর ১৭ই ফেব্রুয়ারি পবিত্র রমজান মাস শুরু হতে পারে। ফলে জাতীয় নির্বাচন করতে হলে তার কয়েক দিন আগেই ভোট গ্রহণ করতে হবে। সেক্ষেত্রে রোজার আগের সপ্তাহে ভোটের সম্ভাব্য তারিখ হতে পারে ১২ই ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার। বাংলাদেশে আগেও একাধিক নির্বাচন বৃহস্পতিবার হয়েছে। ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হলে রোজার আগে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ করা যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।