ওয়াশিংটন: বিশ্বজুড়ে ইসলামাতঙ্ক বাড়ছে ক্রমান্বয়ে। এর বিরুদ্ধে আমেরিকার হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে বিল পেশ করলেন কংগ্রেস ওম্যান ইলহান ওমরের নেতৃত্বে ৩০ জন মার্কিন আইনপ্রণেতার একটি দল। এই বিলে স্বরাষ্ট্র দফতরের কাছে আবেদন করা হয়েছে যে, তাদের বার্ষিক মানবাধিকার রিপোর্টে রাষ্ট্রপরিচালিত ইসলামোফোবিক হিংসা ও শাস্তি থেকে রেহাই দেওয়ার ঘটনাকে যেন অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই দল বলেছে, বিশ্বজোড়া মুসলিমবিরোধী গোঁড়ামিকে নীতিপ্রণয়নকারীদের বুঝতে সাহায্য করবে স্পেশাল এনভয়।
এই বিশেষ এনভয় গড়ায় দাবি তোলা হয়েছে এই বিলে। পাশাপাশি গোটা বিশ্বে ক্রমবর্ধমান ইসলামাতঙ্কের বিরুদ্ধে মোকাবিলা করতে মার্কিন নেতৃত্ব গড়ে তোলার কৌশল তৈরি করবে এই বিল। ইসলামাতঙ্কের দিকে নজর দেওয়া ও এর মোকাবিলা করতে বিশেষ এনভয় তৈরির দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র দফতরের। মুসলিমদের উপর অত্যাচারের নিরিখে চিন ও মায়ানমারের বিভাগেই ভারতকে রেখেছেন এই বিলের প্রস্তাবকরা।আরও পড়ুন:
ভারতের পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রক অতীতে জোর দিয়ে বলেছিল যে, ধর্মনিরপেক্ষ চরিত্রের জন্য ভারত গর্বিত। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র ও বহুত্ববাদী সমাজকাঠামো সহিষ্ণুতায় বিশ্বাসী এবং চলতে চায় সবাইকে নিয়েই। সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সহ ভারতের সকল নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে ভারতের সংবিধান দায়বদ্ধ। যাইহোক, ইলহান ওমর বলেন,''বিশ্বের প্রায় সমস্ত কোণায় ইসলামাতঙ্ক ক্রমশ বাড়তে দেখছি আমরা এবং তা হিংসাত্মক আকার নিচ্ছে।'' চিনে উইঘুর, মায়ানমারে রোহিঙ্গা, শ্রীলঙ্কায় মুসলিম, হাঙ্গেরি ও পোল্যান্ডে মুসলিম শরণার্থীদের বলির পাঁঠা করা, নিউজিল্যান্ড ও কানাডায় মুসলিমদের নিশানা করা--সর্বত্র অত্যাচারের শিকার হচ্ছে মুসলিমরা। আমেরিকান মুসলিম এমপাওয়ারমেন্ট নেটওয়ার্ক (এএমইএন), দ্য কাউন্সিল অন আমেরিকান-ইসলামিক রিলেশন (সিএআইআর) ও সাউথ এশিয়ান আমেরিকানস লিডিং টুগেদার (এসএএএলটি) সহ বহু সংগঠন আন্তর্জাতিক ইসলামাতঙ্ক মোকাবিলা আইনকে অনুমোদন দিয়েছে।