পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: সাতসকালে রক্তাক্ত গুরুদ্বার। বৃহস্পতিবার সকালে পঞ্জাবের কাপুরথালার একটি গুরুদ্বারে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাঁধে নিহাঙ্গ শিখদের।  নিহঙ্গ শিখরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক পুলিশকর্মীর। আহত আরও পাঁচজন। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

পঞ্জাব পুলিশ সূত্রে খবর,  এ দিন সকালে কাপুরথালার গুরুদ্বারে সংঘর্ষ শুরু হয়। অভিযোগ, নিহাঙ্গ শিখরা ওই গুরুদ্বার দখল করার চেষ্টা করে। পুলিশ বাধা দিলে সংঘর্ষ শুরু আচমকাই তারা গুলি চালাতে শুরু করে। গুলি লেগে মৃত্যু হয়েছে এক পুলিশকর্মীর।

আহত আরও তিন পুলিশ। গুরুদ্বার দখলের চেষ্টার অভিযোগে এখনও অবধি ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গুরুদ্বারের ভিতরে এখনও অভিযান চলছে। আধিকারিকরা জানিয়েছেন, গুরুদ্বারের ভিতরে এখনও কমপক্ষে ৩০ জন নিহাঙ্গ শিখ রয়েছেন।

উল্লেখ্য, পঞ্জাবের একাধিক জায়গায় এই নিহাঙ্গ শিখদের দেখা যায়। তাদের পরনে থাকে গাঢ় নীল রঙের পোশাক।

মাথায় থাকে বড় একটা নীল রঙের পাগড়ি। তাতে একাধিক ডিজাইন করা। আর কোমরে থাকে ধারাল তরোবারি এবং কৃপান।  সংস্কৃত শব্দ নিশাঙ্ক থেকে এসেছে নিহাঙ্গ শব্দটি। যার অর্থ সাহসী যোদ্ধা। বা পবিত্র বীর যোদ্ধা। যাঁরা নির্ভিক।

১৬৯৯ সালে গুরু গোবিন্দ সিং খালসা অথবা তাঁর ছেলে ফতেহ সিংয়ের সময় থেকেই এই নিহাঙ্গ শিখদের অস্তিত্ব তৈরি হয়েছিল। ১৬৯৯-১৭০৫ সাল থেকে এই নিহাঙ্গ শিখদের অস্তিত্বের সন্ধান মেনে।