২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, শনিবার, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শীঘ্রই আসছে ক্যানসার ও হৃদরোগের টিকা, চাঞ্চল্যকর দাবি রিপোর্টে

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: আসতে চলেছে ক্যানসার-হৃদরোগ সহ একাধিক প্রাণঘাতী রোগের টিকা। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন শীর্ষস্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল ফার্ম মডার্না।

ঘটনাপ্রসঙ্গে মডার্নার চিফ মেডিক্যাল অফিসার ডা. পল বার্টন বলেন,  ২০৩০ সালের মধ্যেই ক্যানসার, কার্ডিওভাসকুলার এবং অটোইমিউনের মতো রোগের টিকা প্রস্তুত হয়ে যাওয়ার আশা করছেন তাঁরা। এছাড়াও, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে  ‘প্রায় সব ধরনের রোগের’ চিকিৎসা দিতে সক্ষম হবে তাদের সংস্থা এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই টিকা প্রস্তুত হয়ে গেলে নিরাময়যোগ্য লক্ষ লক্ষ জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে। দাবি, এই টিকা নিয়ে গবেষণায় নাকি অসাধারণ ফল পাওয়া গেছে। কিছু গবেষক এর জন্য করোনা টিকার সাফল্যের কথাও বলছেন।

ওষুধ সংস্থা মডার্না এর আগে করোনভাইরাসের টিকা তৈরি করেছে। এখন বিভিন্ন ধরনের টিউমারকে লক্ষ্য করে ক্যানসারের  ভ্যাকসিন তৈরি করছে।

ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে বার্টন বলছিলেন, কোটি কোটি না হলেও লক্ষ লক্ষ প্রাণ বাঁচবে এই টিকা গুলোর মাধ্যমে। তবে এই টিকা করোনাভাইরাসের টিকার মতো সর্বসাধারণের জন্য ব্যবহারযোগ্য হবে না।

সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়া একটি রিপোর্টে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর হার্টের সমস্যা ও ক্যানসারের মতো মারন রোগের কারণে বিপুল সংখ্যক মানুষ মারা যান। বছরে কমপক্ষে ১৩ লক্ষ মানুষ এই দুই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। সেই দিক থেকে বিশ্লেষণ করলে এই টিকাগুলি সত্যিই খুব কার্যকর হবে।

এই নিয়ে  ড. পল বার্টন বলেছেন, আমাদের হাতে এই টিকা চলে  এলে আমরা হাজার হাজার মানুষের প্রাণ বাঁচাতে পারব। বহুবিধ ভিন্ন রকম টিউমার ক্যানসারে এই টিকা ব্যবহার করা যাবে।

ড. পল বলেন,  কয়েক মাসে আমরা আরও কিছু জিনিস শিখতে পেরেছি। তা হলো- এমআরএনএ শুধু সংক্রামক ব্যাধির জন্যই ব্যবহার করা হয় এমনটা নয়।

গবেষণার মাধ্যমে উঠে এসেছে যে, সব রকম রোগের ক্ষেত্রে এই এমআরএনএ ব্যবহার করা যেতে পারে। এর মধ্যে আছে ক্যানসার সংক্রামক রোগ, কার্ডিওভাসকুলার রোগ, অটোইমিউন ডিজিজ এবং বিরল রোগ। তার ভাষায়, এর সব ক্ষেত্রেই আমরা গবেষণা করছি। তাতে চমৎকার ফল পাওয়া গেছে।

তিনি আরও বলেন, ১০ বছর পর আমরা এমন একটি বিশ্বে থাকব যেখানে আপনি সত্যিকার অর্থে রোগের জেনেটিক কারণ শনাক্ত করতে পারবেন। এমআরএনএ-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেটি মেরামতও করা যাবে।

প্রতিবেদক

ইমামা খাতুন

২০২২ সাল থেকে সংবাদ জগতের সঙ্গে যুক্ত। আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতাতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছে। ডিজিটাল প্লাটফর্মে রিপোর্টার হিসেবে হাতেখড়ি। ২০২২ সালের শেষান্তে পুবের কলম-এর সঙ্গে যুক্ত হয়। ইমামার ভাষ্যে, The First Law of Journalism: to confirm existing prejudice, rather than contradict it.
সর্বধিক পাঠিত

আজ SIR এর প্রথম চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ, কী দেখবেন এবং কীভাবে দেখবেন

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

শীঘ্রই আসছে ক্যানসার ও হৃদরোগের টিকা, চাঞ্চল্যকর দাবি রিপোর্টে

আপডেট : ৯ এপ্রিল ২০২৩, রবিবার

পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: আসতে চলেছে ক্যানসার-হৃদরোগ সহ একাধিক প্রাণঘাতী রোগের টিকা। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন শীর্ষস্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যাল ফার্ম মডার্না।

ঘটনাপ্রসঙ্গে মডার্নার চিফ মেডিক্যাল অফিসার ডা. পল বার্টন বলেন,  ২০৩০ সালের মধ্যেই ক্যানসার, কার্ডিওভাসকুলার এবং অটোইমিউনের মতো রোগের টিকা প্রস্তুত হয়ে যাওয়ার আশা করছেন তাঁরা। এছাড়াও, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে  ‘প্রায় সব ধরনের রোগের’ চিকিৎসা দিতে সক্ষম হবে তাদের সংস্থা এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।”

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই টিকা প্রস্তুত হয়ে গেলে নিরাময়যোগ্য লক্ষ লক্ষ জীবন বাঁচানো সম্ভব হবে। দাবি, এই টিকা নিয়ে গবেষণায় নাকি অসাধারণ ফল পাওয়া গেছে। কিছু গবেষক এর জন্য করোনা টিকার সাফল্যের কথাও বলছেন।

ওষুধ সংস্থা মডার্না এর আগে করোনভাইরাসের টিকা তৈরি করেছে। এখন বিভিন্ন ধরনের টিউমারকে লক্ষ্য করে ক্যানসারের  ভ্যাকসিন তৈরি করছে।

ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে বার্টন বলছিলেন, কোটি কোটি না হলেও লক্ষ লক্ষ প্রাণ বাঁচবে এই টিকা গুলোর মাধ্যমে। তবে এই টিকা করোনাভাইরাসের টিকার মতো সর্বসাধারণের জন্য ব্যবহারযোগ্য হবে না।

সম্প্রতি প্রকাশিত হওয়া একটি রিপোর্টে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি বছর হার্টের সমস্যা ও ক্যানসারের মতো মারন রোগের কারণে বিপুল সংখ্যক মানুষ মারা যান। বছরে কমপক্ষে ১৩ লক্ষ মানুষ এই দুই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। সেই দিক থেকে বিশ্লেষণ করলে এই টিকাগুলি সত্যিই খুব কার্যকর হবে।

এই নিয়ে  ড. পল বার্টন বলেছেন, আমাদের হাতে এই টিকা চলে  এলে আমরা হাজার হাজার মানুষের প্রাণ বাঁচাতে পারব। বহুবিধ ভিন্ন রকম টিউমার ক্যানসারে এই টিকা ব্যবহার করা যাবে।

ড. পল বলেন,  কয়েক মাসে আমরা আরও কিছু জিনিস শিখতে পেরেছি। তা হলো- এমআরএনএ শুধু সংক্রামক ব্যাধির জন্যই ব্যবহার করা হয় এমনটা নয়।

গবেষণার মাধ্যমে উঠে এসেছে যে, সব রকম রোগের ক্ষেত্রে এই এমআরএনএ ব্যবহার করা যেতে পারে। এর মধ্যে আছে ক্যানসার সংক্রামক রোগ, কার্ডিওভাসকুলার রোগ, অটোইমিউন ডিজিজ এবং বিরল রোগ। তার ভাষায়, এর সব ক্ষেত্রেই আমরা গবেষণা করছি। তাতে চমৎকার ফল পাওয়া গেছে।

তিনি আরও বলেন, ১০ বছর পর আমরা এমন একটি বিশ্বে থাকব যেখানে আপনি সত্যিকার অর্থে রোগের জেনেটিক কারণ শনাক্ত করতে পারবেন। এমআরএনএ-ভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেটি মেরামতও করা যাবে।