পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: শনিবার রাজস্থানের চুরু জেলায় ভয়াবহ ধূলিঝড়ের দাপটে একসময় পুরো এলাকা বালির ঘন আস্তরণে ঢেকে যায়। কালচে-হলুদ ধুলোর বিশাল ঢেউ মুহূর্তে চারপাশের এলাকা গ্রাস করে নেওয়ায় দৃশ্যমানতা অনেকটাই কমে যায়। রাস্তাঘাট, বাড়িঘর থেকে শুরু করে খোলা প্রান্তর সবকিছুই ধুলোর চাদরে ঢেকে যায়। ঘটনার জেরে ব্যাপক আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আরও পড়ুন:
এদিন বিকেলের দিকে বিকানেরেও প্রবল ঝড়ের সঙ্গে ধুলোর বিশাল প্রাচীর তৈরি হতে দেখা যায়। মরুপ্রধান রাজ্যের একাধিক এলাকায় আচমকা আবহাওয়ার এই পরিবর্তনে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয়। বহু জায়গায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ধুলো উড়ে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে।
আরও পড়ুন:
আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিম দিক থেকে সক্রিয় একটি ঝঞ্ঝার প্রভাবেই রাজস্থানে এই ধরনের আবহাওয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
এর জেরে আগামী কয়েক দিন রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি, ধূলিঝড় এবং ঝোড়ো হাওয়া চলতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যের একাধিক জেলায় বৃষ্টি ও বজ্রঝড়ের খবর মিলেছে। ধোলপুর জেলার বারি এলাকায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সেখানে প্রায় ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুন:
জয়পুরের আবহাওয়া কেন্দ্র জানিয়েছে, বিকানের, জয়পুর, আজমির, ভরতপুর, কোটা, যোধপুর এবং উদয়পুর বিভাগের কয়েকটি এলাকায় ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। সেই সঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। কিছু কিছু এলাকায় বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দপ্তর। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাসিন্দাদের প্রয়োজন ছাড়া খোলা জায়গায় না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আবহাওয়া দপ্তরের অনুমান, আগামী চার থেকে পাঁচ দিন রাজ্যের আবহাওয়া এমনই অস্থির থাকতে পারে। তবে এই পরিবর্তনের ফলে প্রবল গরম থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলতে পারে। রাজস্থানের অধিকাংশ জায়গায় দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রির নিচে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।