পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে (Anubrata Mondal) ফের তলব করল সিবিআই। বুধবার সকাল ১১ টা নাগাদ অনুব্রতকে তলব করেছে সিবিআই। নির্দেশ অনুযায়ী নিজাম প্যালেসে হাজিরা দেওয়া কথা। ইতিমধ্যেই সিবিআইয়ের তরফে এই সমন তার বীরভূমের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন ইডি আধিকারিকরা। কারণ তার বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি মিলেছে। সেই সব নিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার আধিকারিকদের সামনে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন অনুব্রত। এই নিয়ে তাকে দশম বার ডাকল সিবিআই।
আরও পড়ুন:
ইডি সূত্রে খবর, গরু পাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) মাধ্যমেই টাকা লেনদেন হত বলে খবর। ইলামবাজারে গরুহাট- মালিকের সঙ্গে অনুব্রত মণ্ডলের যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
এদিকে বোলপুরে অনুব্রত মণ্ডলের বাড়িতে রয়েছেন চিকিৎসকেরা। রয়েছেন ৪ জন নার্স। চেস্ট স্পেশালিস্ট রয়েছেন। ফিসচুলা, অন্যান্যা শারীরিক ও মানসিক কিছু সমস্যা, হার্ট ও হাইপারটেনশের সমস্যা রয়েছে। চিকিৎসকেরা এই মুহূর্তে অনুব্রত মণ্ডলকে বিশ্রামের পরামর্শ দিয়েছেন।
আরও পড়ুন:
এদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে চিকিৎসক জানিয়েছেন, অস্ত্রোপচারের এখন কোনও প্রয়োজন নেই।
ফিসচুলা থেকে ইনফেকশন হয়ে গেছে। মানবিক দিক দিয়ে বলব, এই মুহূর্তে বেশি দূর জার্নি না করাই ভালো। সাময়িক বিশ্রামের প্রয়োজন। কলকাতা যাওয়ার মতো অবস্থায় আছেন। তবে এখন ট্রাভেল না করাই ভালো।আরও পড়ুন:
এদিকে আজ পবিত্র মহররম। এই ছুটির দিনে কলকাতায় এসে পৌঁছেছেন সিবিআইয়ের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর অজয় ভাটনগর। কলকাতার সিবিআই অফিসে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেছেন তিনি।
আরও পড়ুন:
আগামীকাল সিবিআই হাজিরায় অনুব্রত কলকাতায় আসবেন কিনা তা এখনও প্রশ্নের মুখে। এর আগেও গরু পাচার কাণ্ডে সিবিআই তলবের মুখে পড়েছিলেন অনুব্রত। একবার তাকে জেরা করা হয়, তাও মাত্র আড়াইঘণ্টার জন্য। কারণ সেদিন ডাক্তারের কাছে অ্যাপয়েণ্টমেন্ট আছে বলে অনুব্রত সিবিআই অফিস থেকে বের হয়ে যান।
আরও পড়ুন:
সোমবারও সিবিআই হাজিরা এড়িয়ে যান বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। কলকাতার চিনার পার্কের বাড়ি থেকে সরাসরি এসএসকেএম হাসপাতালে চলে যান তিনি।
আরও পড়ুন:
আরও পড়ুন:
হাসপাতাল থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসার প্রয়োজন নেই অনুব্রতর। তার পরেই তিনি কলকাতার চিনার পার্কের বাড়িতে ফিরে আসেন। সেখান থেকে বোলপুরে নিজের বাড়িতে চলে যান। আর সেদিন সন্ধ্যা বেলাতেই চিনার পার্কের বাড়িতে আসেন এক সিবিআই আধিকারিক।
আরও পড়ুন: