০৮ মার্চ ২০২৬, রবিবার, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জলবায়ু পরিবর্তনের জেরঃআগামী ৪০০ বছরের মধ্যে প্রাণশূণ্য হবে পৃথিবী, রাষ্ট্রসংসংঘে হুশিয়ারি বিজ্ঞানীদের

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ হাতে আছে আর মাত্র ৪০০ বছর। এর মধ্যেই নাকি আমাদের এই সাধের পৃথিবীটা পরিনত হবে ভীন গ্রহে। এই সুন্দর নীল গ্রহ হয়ে যাবে জনশূন্য।

রাষ্ট্রপুঞ্জে এমনই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। জলবায়ুর পরিবর্তনের জন্য এই মর্মান্তিক পরিনতি হতে পারে পৃথিবীর।

ইউনাইটেড নেশন্স অ্যাসেসমেন্ট অব ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন্স। সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক জলবায়ু বিজ্ঞান গবেষণা বিষয়ক পত্রিকা গ্লোবাল চেঞ্জ বয়োলজিতে।

সম্প্রতি বিভিন্ন রাষ্ট্র গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের পরিমাণ কমানোর যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেগুলি পুরোপুরি রক্ষিত হলেও আর ৭৯ বছরের মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রাক শিল্পযুগের চেয়ে অন্তত ২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে দাবি বিজ্ঞানীদের। তার ফলে এমন ঘনঘন ও ভয়ঙ্কর দাবানল হবে বিশ্বজুড়ে, যা অভূতপূর্ব।

এরফলে বিশ্ব জুড়ে দেখা দেবে তাপপ্রবাহ, শৈত্য প্রবাহ, বন্যা, খরার মত দুর্যোগ। প্রাণ হারাবে মানুষ। বদলে যাবে পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্র।

ট্যাগ :
সর্বধিক পাঠিত

হরমুজ প্রণালী খোলা, তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের জন্য নয় : ইরান

Copyright © Puber Kalom All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জলবায়ু পরিবর্তনের জেরঃআগামী ৪০০ বছরের মধ্যে প্রাণশূণ্য হবে পৃথিবী, রাষ্ট্রসংসংঘে হুশিয়ারি বিজ্ঞানীদের

আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, বুধবার

পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ হাতে আছে আর মাত্র ৪০০ বছর। এর মধ্যেই নাকি আমাদের এই সাধের পৃথিবীটা পরিনত হবে ভীন গ্রহে। এই সুন্দর নীল গ্রহ হয়ে যাবে জনশূন্য।

রাষ্ট্রপুঞ্জে এমনই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। জলবায়ুর পরিবর্তনের জন্য এই মর্মান্তিক পরিনতি হতে পারে পৃথিবীর।

ইউনাইটেড নেশন্স অ্যাসেসমেন্ট অব ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন্স। সংশ্লিষ্ট গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক জলবায়ু বিজ্ঞান গবেষণা বিষয়ক পত্রিকা গ্লোবাল চেঞ্জ বয়োলজিতে।

সম্প্রতি বিভিন্ন রাষ্ট্র গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের পরিমাণ কমানোর যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেগুলি পুরোপুরি রক্ষিত হলেও আর ৭৯ বছরের মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রাক শিল্পযুগের চেয়ে অন্তত ২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে দাবি বিজ্ঞানীদের। তার ফলে এমন ঘনঘন ও ভয়ঙ্কর দাবানল হবে বিশ্বজুড়ে, যা অভূতপূর্ব।

এরফলে বিশ্ব জুড়ে দেখা দেবে তাপপ্রবাহ, শৈত্য প্রবাহ, বন্যা, খরার মত দুর্যোগ। প্রাণ হারাবে মানুষ। বদলে যাবে পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্র।