লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে আইন আল-হিলওয়ে ফিলিস্তিনি শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় কমপক্ষে ১৩ জন নিহত হয়েছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলায় আরও অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
মঙ্গলবার সাইদা শহরের কাছের শিবিরের একটি মসজিদের পার্কিং লটে থাকা গাড়িকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা এনএনএ জানায়, বিস্ফোরণে আশপাশে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়।
ইসরায়েল দাবি করেছে, হামাসের সদস্যরা শিবিরের ভেতরে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে তৎপরতা চালাচ্ছিল এবং সেই লক্ষ্যেই হামলা করা হয়েছে। দেশটির সেনাবাহিনীর আরবি মুখপাত্র আভিখাই আদ্রেয়ি বলেছেন, “উত্তর সীমান্তে যেকোনো হুমকি আমরা সহ্য করবো না।”
তবে হামাস এই দাবি উড়িয়ে দিয়ে বলেছে, শিবিরে তাদের কোনো প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নেই। তারা হামলাকে নিরীহ ফিলিস্তিনিদের ওপর “বর্বর আগ্রাসন” ও লেবাননের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে।
২০২৩ সালে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে লেবাননে ফিলিস্তিনি সংগঠনগুলোর নেতাদের টার্গেট করে ইসরায়েল একাধিক হামলা চালিয়ে আসছে। লেবানন জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় যুদ্ধবিরতির পরও দেশটিতে ২৭০ জনের বেশি নিহত ও ৮৫০ জনের মতো আহত হয়েছে।
লেবাননের রাজনৈতিক বিশ্লেষক করিম এমিল বিতার অভিযোগ করেছেন, ইসরায়েল প্রায় প্রতিদিনই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে এবং নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেও দক্ষিণ লেবানন থেকে সেনা প্রত্যাহার করেনি।
































