আরও পড়ুন:
পুবের কলম ওয়েবডেস্কঃ কাতারে সরকারিভাবে আয়োজিত জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার ২৭তম প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।আধুনিক কাতারের স্থপতি শেখ জাসেম বিন মুহাম্মদ আলথানির নামে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় পবিত্র কুরআন প্রতিযোগিতার এ আয়োজন।
আরও পড়ুন:
এ বছর অনুষ্ঠিত এই কুরআন প্রতিযোগিতার তিন শাখার মধ্যে দুটি শাখায় প্রথমস্থান অধিকার করেছে বাংলাদেশি কিশোর ও তরুণী। এর মধ্যে এক শাখায় প্রথম হয়েছেন ১৪ বছর বয়সী বাংলাদেশি কিশোর উসামা। অন্য শাখায় প্রথম হয়েছেন বাংলাদেশি তরুণী আয়েশা।
আরও পড়ুন:
কাতারে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতায় বয়স কিংবা নারী-পুরুষের জন্য আলাদা আলাদা শাখা থাকে না।
ফলে এই দু’শাখায় অংশ নিয়েছেন কাতারে বসবাসরত আরব ও অনারব বিভিন্ন দেশের নানা বয়সের হাফেজ নারী ও পুরুষরা। আর এদের সবাইকে পেছনে ফেলে দুটি শাখায়ই প্রথম স্থান অর্জন করেন বাংলাদেশি এই হাফেজ কিশোর ও হাফেজা তরুণী। প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থিত কাতারের ধর্মমন্ত্রী ও সুধীজনরা বাংলাদেশিদের এমন জয়জয়কার দেখে মুগ্ধ হয়েছেন।আরও পড়ুন:
কাতারের ধর্মমন্ত্রী ঘানিম শাহীন আল ঘানিম বলেছেন– পবিত্র কুরআন মুখস্ত বিদ্যায় বাংলাদেশিদের অগ্রযাত্রা প্রশংসনীয়। কাতারে মর্যাদাপূর্ণ এই প্রতিযোগিতায় দুটি শাখায় বাংলাদেশিদের প্রথম হওয়ার খবরে আনন্দিত কাতার প্রবাসী বাংলাদেশিরাও। কাতারের ধর্ম মন্ত্রণালয় চলতি রমজানের প্রথম সপ্তাহে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছিল।
আরও পড়ুন:
এ বছরের বিশেষ শাখায় প্রথম স্থান অর্জনকারী বাংলাদেশি তরুণী আয়েশার বাবার নাম উমর ফারুক। তাঁর বাড়ি বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার আজিমনগর ইউনিয়নে। আয়েশার আব্বা ১৯৯৫ সাল থেকে তিনি কাতারে বাস করছেন। বর্তমানে আজিজিয়া এলাকায় একটি মসজিদে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। বিশেষ বিভাগে আয়েশা প্রথম হওয়ায় পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন এক লাখ কাতারি রিয়াল।
আরও পড়ুন:
আরেক শাখায় প্রথম স্থান অর্জনকারী উসামা চৌধুরীর বয়স ১৪ বছর।
বাংলাদেশের সিলেটের শাহপরান থানায় খাদিমপাড়ায় তাদের পত্রিক বাড়ি। উসামার বাবা মাওলানা শিহাবুদ্দীন তিন বছর আগে কাতারে অসুস্থ হয়ে ইন্তিকাল করেন। তিনিও কাতারে ইমাম হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে কাতারের একটি স্কুলে নবম শ্রেণীতে পড়েন হাফেজ উসামা। তাঁর জন্ম অবশ্য কাতারে। আব্বার কাছেই উসামা পবিত্র কুরআন হেফজ করেছিলেন।