যুদ্ধরত সব পক্ষ আন্তর্জাতিক আইনকে অবজ্ঞা করছে, জেনেভা কনভেনশনকে পদদলিত করছে , এমনকি রাষ্ট্রসংঘ সনদেরও লঙ্ঘন করছে। -গুতেরেস
আরও পড়ুন:
পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: গাজা যুদ্ধে জড়িত পক্ষগুলো আন্তর্জাতিক আইনকে ‘পদদলিত করছে’ বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বানও পুনর্ব্যক্ত করেছেন গুতেরেস।
আরও পড়ুন:
সুইৎজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামে তিনি বলেন, যুদ্ধরত সব পক্ষ আন্তর্জাতিক আইনকে ‘অবজ্ঞা করছে’, জেনেভা কনভেনশনকে ‘পদদলিত করছে’ , এমনকি রাষ্ট্রসংঘ সনদেরও ‘লঙ্ঘন করছে’। তিনি বলেন, ‘আমি গাজায় দ্রুত মানবিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করছি এবং দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের ভিত্তিতে একটি প্রক্রিয়ার কথা বলছি, যা ইসরাইলি এবং ফিলিস্তিনিদের জন্য টেকসই শান্তি নিয়ে আসবে।
’আরও পড়ুন:
তবে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু যুদ্ধবিরতির আহ্বান নাকচ করে দিয়ে বলেছেন, হামাসকে সম্পূর্ণ পরাজিত না করা এবং জিম্মিদের উদ্ধার না করা পর্যন্ত গাজায় অভিযান চলবে। উল্লেখ্য, ৭ অক্টোবর গাজা থেকে ইসরাইলে নজিরবিহীন হামলা চলায় হামাস। যার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় তীব্র হামলা শুরু করে ইসরাইল।
আরও পড়ুন:
পরে শুরু হয় স্থল অভিযান। প্রায় সাড়ে তিনমাস ধরে চলা এই হামলায় গাজার ২৩ লক্ষ বাসিন্দার প্রায় সবাই নিজ নিজ বাড়িঘর ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।
খাবার, পানি, জ্বালানি ও ওষুধসহ নিত্যপণ্যের মারাত্মক সংকটে গাজায় ভয়াবহ মানবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। রাষ্ট্রসংঘ জানিয়েছে, বর্তমানে বিশ্বের ৮০ শতাংশ ক্ষুধার্ত মানুষই এখন গাজার বাসিন্দা।আরও পড়ুন:
রাষ্ট্রসংঘের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গাজার প্রত্যেক মানুষই এখন ক্ষুধার্ত। তাদের মধ্যে চার ভাগের একভাগ মানুষ অনাহারে রয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা আরও জানান, গাজায় পাঁচ বছরের নিচে ৩ লক্ষ ৩৫ হাজার শিশু রয়েছে, যারা অপুষ্টিতে ভুগছে।
উপত্যাকাজুড়ে ক্ষুধার্তদের সংখ্যা ক্রমে বেড়েই চলেছে। গাজা দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্ত দাঁড়িয়ে আছে বলে আগেই সতর্ক করেছে রাষ্ট্রসংঘ। তবে গণহত্যা চালিয়ে যেতে এখনও দ্বিধা নেই ইসরাইলের।আরও পড়ুন:
গাজাকে ধ্বংস করতে প্রতিরক্ষা বাজেটে আরও ৫৫ বিলিয়ন শেকেল অর্থাৎ ১৫ বিলিয়ন ডলার যোগ করেছে ইসরাইল। দেশটির অর্থমন্ত্রক এবং প্রধানমন্ত্রী কার্যলয়ের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, ২০২৪ সালের জন্য এই বর্ধিত বাজেটটি অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা ।