পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: ‘ভারত না ইন্ডিয়া’! স্বাধীনতার ৭৬ বছর পর দেশের ‘প্রকৃত’ নাম নিয়ে তৈরি হয়েছে সংশয়। জি-২০ সম্মেলনের নৈশভোজের আমন্ত্রণে দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘প্রেসিডেন্ট-অফ-ভারত’ সম্বোধনের পর থেকে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। আমন্ত্রণপত্র’কে কেন্দ্র করে হুলস্থূল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহল থেকে দেশের আমজনতার মধ্যে। ব্যতিক্রম নয় সোশ্যাল মিডিয়া। ভোটপণ্ডিত একাংশের মতে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের নামকরণ নিয়ে ‘বড্ড ভয়’ পেয়েছে কেন্দ্রীয় শাসক দল।
আরও পড়ুন:
https://twitter.com/vtchakarova/status/1699016010144088309?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1699016010144088309%7Ctwgr%5Effc6759ccae1221a95938e1396ecd3c75fe3a292%7Ctwcon%5Es1_c10&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.ndtv.com%2Findia-news%2Fisro-or-bisro-social-media-reacts-to-india-or-bharat-buzz-4364051
আরও পড়ুন:
এবার প্রশ্ন হল, দেশের নাম তো বদল হবে...। তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কি বদল হবে প্রতিষ্ঠানগুলির নাম? সেটা যদি হয়ে থাকে তাহলে কি এবার থেকে ‘ইন্ডিয়া গেট’ হবে ‘ভারত দ্বার’। ইসরো হবে বিসরো। ‘ইন্ডিগো’ হবে ‘ভাগ’।
দিল্লি যেহেতু উর্দুর ‘দেহলজি’ বা ‘দেহালি’ শব্দের অপভ্রংশ তাই এবার থেকে রাজধানীর নাম হক ‘বিল্লি’। এছাড়া ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট হবে ভারত ইন্সটিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট, ইন্ডিয়ান ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি হবে ভারত ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি ইত্যাদি।
আরও পড়ুন:
ভেলিনা চাকারোভা নামে এক ভূ-রাজনৈতিক কৌশলবিদ এক্স-হ্যান্ডলে লিখেছেন সেদিক থেকে দেখতে গেলে ‘ইন্ডিয়া’ যদি ‘ভারত’ হয় তাহলে ‘ব্রিকস’ এবার থেকে ‘বারবিকিউ’ হিসেবে বিবেচিত হবে।
আরও পড়ুন:
বর্তমানে ভারতকে রিপাবলিক অফ ইন্ডিয়া হিসাবে উল্লেখ করা হয়। যদি কেন্দ্র ‘ইন্ডিয়া’র নাম বদলে ‘ভারত’ করে, তবে দেশকে কি ‘রিপাবলিক অফ ভারত’ বলে উল্লেখ করা হবে?
আরও পড়ুন:
পাশাপাশি সমস্ত কেন্দ্রীয় সরকারি প্রতিষ্ঠানেই ইন্ডিয়া বা ইন্ডিয়ান শব্দটির উল্লেখ থাকে।
তাই নাম বদল হয়ে ‘ভারত’ হলে প্রতিষ্ঠানগুলির নামও কি পরিবর্তন হয়ে যাবে? দেশের নাম পরিবর্তন হলে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়ারও নাম পরিবর্তন করতে হবে। দেশের মুদ্রাতেও ইন্ডিয়া শব্দটির উল্লেখ থাকে। নাম পরিবর্তন হলে কি টাকা-পয়সার লেখাও বদলে যাবে? আর যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা একেবারে ভেঙে পড়বে?আরও পড়ুন:
এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর বলেন, 'আমার মনে হয় এটি স্রেফ গুজব। আমি শুধু এটুকু বলব যে বা যারা ভারত শব্দটি নিয়ে আপত্তি জানাচ্ছেন, তাঁদের মানসিকতা কী তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।