পুবের কলম প্রতিবেদকঃ কাজী মাসুম আখতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মনিটরিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। কাজী মাসুম আখতার একজন স্কুল শিক্ষক। বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার সুবাদে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে পদ্মশ্রী খেতাব লাভ করেন।
আরও পড়ুন:
এছাড়া পেয়েছেন শিক্ষারত্ন উপাধিও। জানা যায়, নারী ও কিশোরীদের শিক্ষার উন্নয়নে তাঁর সবিশেষ আগ্রহ রয়েছে।
যদিও এ বিষয়ে খুব বেশি কিছু তিনি করে উঠতে পারেননি। কাজী মাসুম আখতার ছিলেন মেটিয়াব্রুজে একটি মাদ্রাসার শিক্ষক। এই সময় তাঁর একটি ‘বাণী’ সারা ভারতের পত্রপত্রিকায় হেডলাইন হয়।আরও পড়ুন:
তিনি ঘোষণা করেন, পশ্চিমবঙ্গে কোনও মাদ্রাসায় নাকি ১৫ আগস্ট ও ২৬ জানুয়ারি জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয় না। জাতীয় সংগীত গাইতে গেলেও বাধা দেওয়া হয়।
তাঁর এই ‘বাণী’ নিয়ে তুমুল হইচই হয়। গেরুয়াপন্থী পত্রপত্রিকা লিখতে থাকে, ‘কী ভয়ানক অবস্থা পশ্চিম বাংলায়! মাদ্রাসাগুলিতে বোধহয় পাকিস্তানি সিলেবাস চলছে! অথচ সংখ্যালঘু ভোটের লোভে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব দেখে-শুনেও চোখ বুজে রয়েছেন।’আরও পড়ুন:
মাসুম আখতারের খ্যাতি তুঙ্গে ওঠে ওই মেটিয়াবুরুজের স্কুলেই।
তিনি একটি বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। তারপর তাঁকে ওই স্কুল থেকে বদলি করা হয়।আরও পড়ুন:
সম্প্রতি তিনি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মনিটরিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন। এই নিযুক্তি হয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর-এর মনোনয়নের দ্বারা। আর চ্যান্সেলর হচ্ছেন রাজ্যের রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস।