পারিজাত মোল্লা: কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে নিহত আইআইটি পড়ুয়া ফাইজান আহমেদ সংক্রান্ত মামলার শুনানি চলে। খড়্গপুর আইআইটি ছাত্র ফাইজান আহমেদের মৃত্যুর তদন্ত আইপিএস অফিসারকে জয়রামনের নেতৃত্বেই চলবে বলে জানিয়ে দিল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।
আরও পড়ুন:
ডিভিশন বেঞ্চের আরও নির্দেশ,-' দ্বিতীয় ময়না তদন্তের রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই তদন্ত চলবে।'খড়্গপুর আইআইটিতে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় রাজ্য পুলিশের এডিজি (হেড কোয়ার্টার)-কে জয়রামণের নেতৃত্বেই তদন্ত হবে বলে জানাল আদালত।
আরও পড়ুন:
তবে প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ বিশেষ তদন্তকারী দলের তদন্তে কোনও অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয়নি।
এদিন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নির্দেশ, -'জয়রামনকেই সিটের নতুন সদস্য নির্বাচিত করতে হবে'।
আরও পড়ুন:
আদালত সুত্রে প্রকাশ, ২০২২ সালের ১৪ অক্টোবর ফাইজান আহমেদ অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে। হস্টেলের ঘরে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় ওই ছাত্রের। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে এই মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলেই উল্লেখ করা হয়। আইআইটি কর্তৃপক্ষও আত্মহত্যার তত্ত্বেই সিলমোহর দেয় একদা। পরিবার তাতে আপত্তি করে আদালতে যায়। আদালত মৃতদেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেয়।
রাজ্য সরকার এবং আইআইটির কর্তৃপক্ষ তার বিরোধিতা করে। তা নিয়ে দীর্ঘ আইনি লড়াই চলে।আরও পড়ুন:
একাধিকবার আইআইটি কর্তৃপক্ষ আদালতের তোপের মুখে পড়ে। আদালতই জয়রামনের নেতৃত্বে সিট গঠন করে। রাজ্য সরকার এবং আইআইটি তারও বিরোধিতা করে। রাজ্যের দাবি, উপযুক্ত কারণ ছাড়াই তদন্তভার হস্তান্তরিত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
বুধবার হাইকোর্ট জানিয়েছে, -' মৃত ছাত্রের দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ধরেই এগোবে তদন্ত। এর আগে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থারের সিঙ্গেল বেঞ্চ জয়রামণের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গড়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কলকাতা হাইকোর্ট আইপিএস জয়রামণকে কোনও দক্ষ অফিসারকে তদন্তকারী অফিসার হিসাবে নিয়োগ করার নির্দেশ দিয়েছে।
আরও পড়ুন:
রাজ্যের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি এদিন জানান , 'আর কত দিন? মা-বাবা আর কত দিন অপেক্ষা করবেন? এই ঘটনা প্রতিষ্ঠানের মানকে নষ্ট করছে।' আগামী অক্টোবর মাসে এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে বলে জানা গেছে।