বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি ঘিরে জট কাটল না। নির্দিষ্ট সময়সীমা পেরিয়েও বিরোধী দলনেতার ঘরের তালা না খোলায় শুক্রবার বিধানসভার ভিতরেই অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়করা। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে বিধানসভার লবিতে ধরনায় বসেন দলের ১৮ জন বিধায়ক।
আরও পড়ুন:
তৃণমূলের তরফে আগেই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল, দুপুর ১২টার মধ্যে বিরোধী দলনেতার ঘর খুলে না দেওয়া হলে আন্দোলনে নামবেন তাঁরা। সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরই শুরু হয় বিক্ষোভ।
বন্ধ ঘরের সামনেই অবস্থান নেন তৃণমূল বিধায়করা।আরও পড়ুন:
শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য প্রথমে বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসু পরিষদীয় দলের রেজোল্যুশন চেয়েছিলেন। পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বৈঠক করে তৃণমূল সেই রেজোল্যুশন জমা দেয়। তবুও এখনও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি মেলেনি বলে অভিযোগ তৃণমূলের।
আরও পড়ুন:
কয়েকদিন আগেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, তাঁকে এখনও বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়া হয়নি এবং তাঁর জন্য নির্ধারিত ঘরও তালাবন্ধ রাখা হয়েছে।
তাঁর দাবি, ৮০ জন বিধায়কের স্বাক্ষর-সহ আলাদা নথি চাওয়া হচ্ছে, যদিও বিধানসভার নিয়মে এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই।অন্যদিকে বিধানসভার তরফে জানানো হয়েছে, তৃণমূল যে নথি জমা দিয়েছে তাতে প্রয়োজনীয় তথ্যের ঘাটতি রয়েছে। কতজন বিধায়কের সমর্থনে শোভনদেব
চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত করা হয়েছে, সেই উল্লেখ নাকি স্পষ্টভাবে করা হয়নি। সেই কারণেই এখনও বিষয়টি চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি সচিবালয়ের।
এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি ও ঘর খোলা নিয়ে টালবাহানা চললে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে।