পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: অমিতশাহ যখন কলকাতায় সভায় ব্যস্ত তখন তাঁকে চিঠি পাঠালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে আগামী শীতকালীন অধিবেশনে প্রস্তাবিত ফৌজদারি এবং দেওয়ানি আইনের নামকরণ নিয়ে তাড়াহুড়ো না করার জন্য অনুরোধ করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। আইপিসি, সিআরপিসি এবং এভিডেন্সের নাম হিন্দিতে করতে চাইছে বিজেপি। সে কথা আগেই জানিয়েছেন শাহ । তাদের আবাদার এখন থেকে আইপিসি হবে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, সিআরপিসি হবে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা এবং এভিডেন্স হবে ভারতীয় সাক্ষ্য অধিনিয়ম।
আরও পড়ুন:
এই তিন নাম বদলে অযথা নরেন্দ্র মোদি সরকারের তাড়াহুড়ো নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মমতা। ২০২৩ এ আনা এই বিলগুলির নাম ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ২০২৩, ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা ২০২৩ এবং ভারতীয় সাক্ষ্য বিল ২০২৩। সংসদের আসন্ন অধিবেশনে এই তিন বিল পাশ করাতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। সমস্ত দলের সঙ্গে আলাপ আলোচনা সেরে, সকলের মত নিয়ে এই বিল পাশ করানো হোক, চাইছে তৃণমূল।
আরও পড়ুন:
বুধবারই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠি পাঠিয়েছেন অমিত শাহকে।
ইন্ডিয়া জোটের বিভিন্ন দলও এই বিল পাশের বিষয়ে একই অনুরোধ করেছে কেন্দ্রকে। এই ইস্যুতে ইন্ডিয়া জোটের দাবি নিয়ে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেবে তৃণমূল। সেই প্রেক্ষিতেই মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে এই চিঠি দিলেন বলে মনে করা হচ্ছে। চিঠিতে লেখা হয়েছে, ‘এই বিলগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে থাকা ব্যবস্থাকে নতুন করে বদলানো একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। এই পরিবর্তন জনমানসেও প্রভাব ফেলবে। তাই সংসদে এই বিল পাশ করানোর আগে তা নিয়ে আরও গভীরভাবে আলাপ আলোচনা করা প্রয়োজন। সংসদে সব দলকে নিয় এই আলোচনার প্রস্তব দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী।আরও পড়ুন:
এর পাশাপাশি শাহকে দেওয়া চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারও ওই তিন প্রস্তাবিত বিল পরীক্ষা করে দেখেছে। রাজ্যসভার সেক্রেটারিয়াটে রাজ্য সরকারের মন্তব্যও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এই বিষয়গুলি মাথায় রেখে এই বিল যাতে পর্যাপ্ত আলোচনা এবং পরিমার্জন করা হয়, শাহকে সেই অনুরোধ করেছেন মমতা।