অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। মাদ্রাসার শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও পেনশনভোগীদেরও বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। ২০০৮ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত, অর্থাৎ দীর্ঘ ১১ বছরের পাওনা ডিএ কত, কতজন কর্মী— তার বিস্তারিত রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। বুধবার রাতে মাদ্রাসা ডিরেক্টরেট থেকে রাজ্যের সব জেলার স্কুল পরিদর্শকদের (ডিআই) এই মর্মে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।এ দিনই ডিএ নিয়ে নবান্নে বৈঠকে বসেছিলেন অর্থ দপ্তরের আধিকারিকরা।

অর্থসচিব প্রভাতকুমার মিশ্রের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উচ্চশিক্ষা, স্কুলশিক্ষা, পরিবহণ, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন এবং পুর ও নগরোন্নয়নের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।সূত্রের খবর, ওই সব দপ্তরের কর্মী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া মেটানোর সামগ্রিক আর্থিক সংস্থান এবং কী ভাবে তা দেওয়া হবে—সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সরকার আগেই জানিয়েছিল, ২০১৬ থেকে ২০১৯, এই চার বছরের মহার্ঘ ভাতার (ডিএ) ১০০ শতাংশই একলপ্তে ৩১ মার্চের মধ্যে মিটিয়ে দেওয়া হবে। সেই মতো সরাসরি সরকারি কর্মচারী যাঁরা, তাঁদের অধিকাংশই বকেয়া ডিএ (জিপিএএফ অ্যাকাউন্ট কিংবা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে) পেয়েছেন। কিন্তু সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী, পুর ও পঞ্চায়েত দপ্তরের কর্মীরা সেই বকেয়া এখনও পাননি।