পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: কাশ্মীরে শাসক ও বিরোধী নেতাদের নিরাপত্তার বিষয়টি নতুন মোড় নিয়েছে, কারণ লেফটেন্যান্ট গভর্নরের প্রশাসন শ্রীনগরে ন্যাশনাল কনফারেন্সের সদর দপ্তর থেকে নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বলে জানা গেছে, যা মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এবং দলের নেতাদের হতবাক করে দিয়েছে।
আরও পড়ুন:
জম্মুতে জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভার বাইরে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে, নিরাপত্তা কমানো হয়েছে কি না জানতে চাইলে ওমর বলেন, তা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে।বিষয়টি নিয়ে বিধানসভায় আলোড়ন তোলার পর তিনি বলেন,“ বেশ আশ্চর্যজনক ঘটনা । জনাব ফারুক আবদুল্লাহর ওপর হামলার পর সবেমাত্র এক সপ্তাহ কেটেছে।
তখন (তারা) বলেছিল যে এটি (হামলা) হওয়া উচিত ছিল না এবং এটি উদ্বেগের বিষয় ছিল, কিন্তু আমার সহকর্মী যেমনটি ঠিকই মন্তব্য করেছেন, ফারুক সাহেব সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার অফিসে যান। আপনারা সেই অফিসের নিরাপত্তা তুলে নিয়েছেন,এর পেছনের বাধ্যবাধকতা কী ছিল, তা (এলজি) প্রশাসনের কাছ থেকে জানতে পারলে ভালো হবে।”আরও পড়ুন:
এলজি প্রশাসনের সিদ্ধান্তের মুখে ওমরকে অসহায় দেখাচ্ছিল, যা মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্তৃত্ব হ্রাসের একটি সুস্পষ্ট ইঙ্গিত। ৩৭০ ধারা বাতিলের আগে এই কার্যালয়ই ছিল একীভূত কমান্ডের প্রধান, যার আওতাধীন ছিল সেনাবাহিনী, আধাসামরিক বাহিনী এবং পুলিশ বাহিনী।
কাশ্মীরে শাসক ও বিরোধী নেতাদের নিরাপত্তার বিষয়টি নতুন মোড় নিয়েছে, কারণ লেফটেন্যান্ট গভর্নরের প্রশাসন শ্রীনগরে ন্যাশনাল কনফারেন্সের সদর দপ্তর থেকে সুরক্ষা প্রত্যাহার করে নিয়েছে বলে জানা গেছে, যা মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ এবং দলের নেতাদের হতবাক করে দিয়েছে।আরও পড়ুন:
জম্মুতে জম্মু ও কাশ্মীর বিধানসভার বাইরে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে, নিরাপত্তা কমানো হয়েছে কি না জানতে চাইলে ওমর বলেন, তা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এলজি কার্যালয় বা পুলিশ কেউই এই দাবির বিষয়ে কোন প্রতিক্রিয়া জানায়নি। শাসক ও বিরোধী দলের উপত্যকা-ভিত্তিক বিধায়করা অভিযোগ করেছিলেন যে, প্রশাসন তাঁদের নিরাপত্তা রক্ষী প্রত্যাহার করে নেওয়ায় তাঁরা সম্ভাব্য হামলার শিকার হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছেন। এর কয়েকদিন পরেই এই সিদ্ধান্তটি আসে।