পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি-র আমলে দেশের প্রথম জনগণনার কাজ শুরু হল আজ, ১ এপ্রিল থেকে। কেন্দ্রীয় সরকারের এই বৃহৎ কর্মসূচির প্রথম ধাপে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন গণনাকারীরা। এবার পুরো প্রক্রিয়াটিই ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে।
দেশের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সেনসাস কমিশনার মৃত্যুঞ্জয়কুমার নারায়ণ জানিয়েছেন, এই জনগণনার অধিকাংশ তথ্য-পরিসংখ্যান ২০২৭ সালে প্রকাশ করা হবে।
এই পর্যায়ে মূলত আবাসন ও পারিবারিক তথ্য সংগ্রহ করা হবে। দ্বিতীয় ধাপে, যা ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়ার কথা, সেখানে ধর্ম ও জাতপাত-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হবে। সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, এবার নাগরিকদের ‘সেলফ এনুমারেশন’-এ উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ, মোবাইল বা ল্যাপটপের মাধ্যমে সাধারণ মানুষ নিজেরাই তথ্য জমা দিতে পারবেন। এতে গণনাকারীদের ওপর চাপ কমবে এবং প্রক্রিয়াটি দ্রুত সম্পন্ন হবে। সেনসাস দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালের তুলনায় দেশে গ্রামসংখ্যা কিছুটা কমে এলেও শহরাঞ্চল বেড়েছে। বর্তমানে দেশের রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৬, জেলার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭৮৪ এবং উপজেলাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
তবে এখনও পশ্চিমবঙ্গ এই জনগণনা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেনি। এ বিষয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে আলোচনা চলছে। রাজ্যকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে জনগণনার কাজ সম্পন্ন করার জন্য। উল্লেখ্য, আগে কাগজে তথ্য সংগ্রহ করে পরে ডিজিটাল করা হত। এবার সরাসরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা হবে, ফলে তথ্য প্রকাশে সময় কম লাগবে বলে আশা করা হচ্ছে।