পুবের কলম, নানুর: মমতার মুখে ‘কেষ্ট’-র নাম শোনা গেলেও, এদিন নানুরের সভামঞ্চে দেখা মিললো না কেষ্টর ওরফে অনুব্রত মণ্ডলের। মমতা বলেন, ‘‘অনেক আগে একটা সময় বীরভূমে এসেছিলাম। তখন রাতে থাকার জায়গা পাচ্ছিলাম না। পরে দেখলাম ববি (ফিরহাদ হাকিম), অনুব্রত (মণ্ডল) আমাকে বলল এই রাস্তা দিয়ে গেলেই তারা মায়ের মন্দির।

রাতে সেখানেই গেলাম।’’ তারপর তারাপীঠের উন্নয়ন। এখন দেখলে চিনতে পারবেন বলেন মমতা। তিনি বলেন, শুধু তারাপীঠ নয়, পাথর চাপুরি, নলাহাটেশ্বরী ফুল্লরা সব করে দিয়েছি।
আমি করেছি বলবো না। মানুষ করেছে। 

বুধবার মমতার প্রথম সভাই রয়েছে বীরভূমের নানুরে। নানুর বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী বিধানচন্দ্র মাঝির সমর্থনে প্রচারসভা করেন তৃণমূলেত্রী।

আল-আমীন মডেল স্কুল পাপুড়ী মাঠে এই সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন নানুরের প্রার্থী বিধান চন্দ্র মাঝি, হাঁসনের কাজল সেখ, লাভপুরের অভিজিৎ সিনহা, দুবরাজপুরের নরেশ চন্দ্র বাউড়ি, রামপুরহাটের আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়, বোলপুরের চন্দ্র নাথ সিনহা প্রমুখ। এদিন অনুব্রত মণ্ডল কাজল সেখের এলাকায় মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে গড়হাজির থাকার ঘটনায় রাজনৈতিক গুঞ্জন শুরু হয়েছে। কারণ জেলায় অনুব্রত মণ্ডলের গুরুত্ব অনেকটাই কমেছে বলে মনে করছে তথ্যভিজ্ঞ মহল। সেই একই কারণে কোর কমিটির আরেক সদস্য সুদীপ্ত ঘোষকেও মঞ্চে দেখা যায় নি। মুখ্যমন্ত্রী তার নাম ঘোষণা করলেও তাকে দেখা যায় নি।