রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর সংগঠনের ভিত শক্ত রাখতে এবার তৎপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংসদ ও পরাজিত প্রার্থীদের পর এবার জেলা পরিষদের সভাধিপতি, সহ-সভাধিপতি ও কর্মাধ্যক্ষদের কালীঘাটে জরুরি বৈঠকে তলব করলেন তৃণমূল নেত্রী। রবিবার বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে শুরু হবে এই বৈঠক।
আরও পড়ুন:
বর্তমানে রাজ্যের ২০টি জেলা পরিষদই তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে রয়েছে।
তবে রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর তৃণমূলের একাংশ জেলা পরিষদ সদস্য গোপনে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব প্রকাশ্যে জানিয়েছে, তৃণমূলের কাউকে দলে নেওয়ার পরিকল্পনা নেই।আরও পড়ুন:
সম্প্রতি বিভিন্ন জেলায় তৃণমূলের পর্যালোচনা বৈঠকে বহু জেলা পরিষদ সদস্যের অনুপস্থিতি নেতৃত্বের উদ্বেগ বাড়িয়েছে। বিশেষ করে পুরুলিয়ায় ৪২ জন সদস্যের মধ্যে ২৪ জনের গরহাজির থাকা তৃণমূল শিবিরে বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে।
শুধু সদস্যই নন, একাধিক কর্মাধ্যক্ষও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না বলে খবর।আরও পড়ুন:
এদিকে নির্বাচনী প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছিলেন, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে ছ’মাসের মধ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে। সেই আবহে জেলা পরিষদগুলিতে প্রশাসক বসানোর সম্ভাবনাও ঘুরছে প্রশাসনিক মহলে।
আরও পড়ুন:
এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটের বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল নেতৃত্ব চাইছে জেলা পরিষদ স্তরে দলীয় ভাঙন বা অসন্তোষের বাস্তব চিত্র স্পষ্টভাবে বুঝে নিতে। বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বার্তা দেন এবং সংগঠন ধরে রাখতে কী কৌশল নেন, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।