পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ সুপার এল নিনোর প্রভাবে এবারের আবহাওয়ার ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়তে চলেছে। আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছিল, এবছর মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে এল নিনোর প্রভাব বাড়বে। আর এর প্রভাবে শুধু তাপমাত্রাই বাড়বে না, একদিকে যেমন একাধিক অংশে খরা দেখা দিতে পারে, তেমনি দেশের একাধিক জায়গায় বন্যা পর্যন্ত হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা, যা উদ্বেগজনক ব্বলেই মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
এল নিনো কী এবং তৈরি হয়?
আরও পড়ুন:
আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, মূলত প্রশান্ত মহাসাগরের তাপমাত্রার ওপর পৃথিবীর আবহাওয়ার বড় অংশ অনেকটাই নির্ভর করে। প্রশান্ত মহাসাগরের উপরি অংশ উষ্ণ হয়ে গেলে তার প্রভাবে তাপ্রবাহ বয়ে থাকে। এই ঘটনাকে এল নিনো বলে।
লুও বয়ে থাকে। এমনকি খরাও হয়ে থাকে। আর এর প্রভাব পড়ে প্রশান্ত মহাসাগর সংলগ্ন বিস্তীর্ণ অংশে। অন্যদিকে, প্রশান্ত মহাসাগরের জলের উপরিভাগের অংশ ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় লা নিনা। এর প্রভাবে অতিবৃষ্টি থেকে তীব্র ঠাণ্ডা পর্যন্ত হতে পারে।আরও পড়ুন:
দেশের কোন অঞ্চলের আবহাওয়া কেমন থাকবে?
আরও পড়ুন:
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এল নিনোর প্রভাবে খরা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, উত্তর, পশ্চিম ও মধ্য অঞ্চলে।
এমনকি দীর্ঘ সময় ধরে খরা চলতে পারে বলেও আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন। পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং রাজস্থান বিশেষভাবে প্রভাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এরফলে স্বাভাবিকভাবেই কৃষিক্ষেত্রে ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে। অন্যদিকে, একদিকে যেমন খরা চলবে তেমনি মধ্য ও পশ্চিম ভারত জুড়ে অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে বলেও জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। আর এর প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়তে পারে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর, উজ্জয়িনী, গোয়ালিয়র, চম্বল, জবলপুর, রেওয়া, শাহডোল, সাগর এবং নর্মদাপুরম সহ নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় । এই সব এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে কম বৃষ্টি হবে বলেই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। দিল্লি-এনসিআরেও তাপপ্রবাহের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এমনকি বৃষ্টি হলেও স্বস্তি মিলবে না বলেই জানা যাচ্ছে। ফলে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এর পাশাপাশি বাংলাতেও এল নিনোর প্রভাবে কম বৃষ্টিপাত হবে । সেই সঙ্গে তাপ প্রবাহ এবং লু বইতে পারে।আরও পড়ুন:
অন্যাদিকে, বন্যার আশঙ্কাও থাকছে একাধিক জায়গায়। আবহাওয়াবিদরা বলছেন, চেন্নাই এবং তামিলনাড়ুতে অতিরিক্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এরফলে বন্যার ঝুঁকি পর্যন্ত রয়েছে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা।