আরও পড়ুন:
তিন দশকেরও বেশি পুরনো একটি জমি বিবাদ সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার হলেন বিহারের পূর্ণিয়ার নির্দল সাংসদ পাপ্পু যাদব। শুক্রবার গভীর রাতে পাটনায় তাঁর বাসভবন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনার পর রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র চর্চা। পাটনার এসপি (শহর) ভানুপ্রতাপ সিং জানান, ১৯৯৫ সালের একটি প্রতারণা মামলায় আদালতের নির্দেশেই পাপ্পু যাদবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারির সময় তাঁর সঙ্গে কেয়ারটেকার ছিলেন। প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তারপর থানায় হাজির করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৯৫ সালে বিনোদ বিহারী লাল নামে এক ব্যক্তি পাপ্পু যাদবের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ, ভুল বুঝিয়ে তাঁর একটি বাড়ি প্রথমে ভাড়ায় নেওয়া হয়। পরে সেই বাড়িটিকেই নিজের অফিস হিসেবে ব্যবহার করেন সাংসদ। বিনোদের দাবি, চুক্তির সময় এই বিষয়টি গোপন রাখা হয়েছিল, যা স্পষ্ট প্রতারণার শামিল।আরও পড়ুন:
এই মামলায় একাধিকবার আদালতের তরফে নোটিস পাঠানো হলেও হাজিরা দেননি পাপ্পু যাদব। এমনকি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির পরও তাঁকে ধরা যায়নি।
শেষ পর্যন্ত আদালত পাপ্পু যাদব ও অন্যান্য অভিযুক্তদের সম্পত্তি অ্যাটাচ করার নির্দেশ দেয়, যার পরেই পুলিশ সক্রিয় হয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে।আরও পড়ুন:
গ্রেপ্তারিকে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন পাপ্পু যাদব নিজেই। গ্রেপ্তারির আগে নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডলে তিনি লেখেন,‘খুব ভালো কাজ করেছে বিহার পুলিশ। আমরা এক নিট পড়ুয়ার ন্যায়বিচারের পক্ষে আওয়াজ তুলেছিলাম, তাই পুলিশের পেটে ব্যথা শুরু হয়েছে। পাটনার বাড়িতে এসে আমাদের গ্রেপ্তার করেছে। তবে এইভাবে পাপ্পু যাদবকে দমিয়ে রাখা যাবে না। অসৎ ব্যক্তিদের কুকীর্তি প্রকাশ্যে আনবই।’