আরও পড়ুন:
স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় ইনিউমারেশন ফর্মের নিয়মে বড় পরিবর্তন আনল নির্বাচন কমিশন। এবার থেকে ফর্মে ‘আত্মীয়’ হিসেবে শুধু পিতৃকুল নয়, মাতৃকুলের নামও ব্যবহার করা যাবে। অর্থাৎ, মায়ের বাবা–মা—দাদু ও দিদিমার নামও আত্মীয় হিসেবে উল্লেখ করা যাবে।
আরও পড়ুন:
ইতিমধ্যে রাজ্যজুড়ে ইনিউমারেশন ফর্ম বিলির কাজ শেষ হয়েছে এবং ফর্ম জমা নেওয়াও শুরু হয়েছে। আগে ফর্মে আত্মীয় হিসেবে শুধু বাবা, মা, ঠাকুরদা (পিতামহ) এবং ঠাকুরমা (মাতামহ)–এর নাম দেওয়ার নির্দেশ ছিল।
কিন্তু বহু ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় বাবা–মা বা পিতৃকুলের তথ্য নেই, বরং রয়েছে দাদু–দিদিমা বা অন্যান্য মাতৃকূলের আত্মীয়দের নাম। এই অভিযোগ বিবেচনা করেই নিয়মটি শিথিল করেছে কমিশন।আরও পড়ুন:
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, শুধু দাদু–দিদিমাই নয়, প্রয়োজন হলে দাদা, মামা, কাকা–সহ অন্যান্য আত্মীয়ের নামও দেওয়া যাবে। কমিশনের ব্যাখ্যা—যোগ্য কোনো ভোটার যেন শুধু নথির কারণে তালিকার বাইরে না পড়ে, সেটিই তাদের মূল লক্ষ্য।
আরও পড়ুন:
এই পরিবর্তনে সবচেয়ে বেশি চাপে পড়েছেন বিএলওরা।
তাঁদের অভিযোগ, কোনো ভোটার অন্য আত্মীয়ের নাম ব্যবহার করলে তা যাচাই করতে বিএলওদেরই ২০০২ সালের তথ্য মিলিয়ে দেখতে হবে। হাতে তালিকার কপি না থাকলে এই কাজ আরও কঠিন হয়ে পড়বে। ডেটা এন্ট্রির বাড়তি চাপের মাঝে ভুল হলে দায়ও তাঁদেরই নিতে হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। এদিকে একাধিক জেলা সূত্রে জানা গেছে, নিয়ম শিথিল করা হলেও অনেক ইআরও–এএইআরও চাইছেন বিষয়টি সীমিত রাখতে। এজন্য তাঁরা বিএলওদের মৌখিকভাবে বলেছেন—ফর্মে আত্মীয় হিসেবে সম্ভব হলে শুধু বাবা, মা, ঠাকুরদা ও ঠাকুরমার নাম লেখানোর দিকেই ভোটারদের উৎসাহিত করতে। কমিশনের নতুন সিদ্ধান্তে ফর্মের নিয়মে নমনীয়তা এলেও মাঠপর্যায়ে কাজ আরও জটিল হবে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।