পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক : চলতি বছর পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন হচ্ছে না। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশটিতে নির্বাচন হতে পারে। কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনায় এই কথা জানিয়েছে পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন (ইসিপি)। বুধবার আওয়ামী ন্যাশনাল পার্টি এ.ন.পি, বালুচিস্তান ন্যাশনাল পার্টি বি.এন.পি ও বালুচিস্তান আওয়ামি পার্টির সঙ্গে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

সংলাপে দলগুলো ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করাতে কমিশনের প্রতি আহ্বান জানায়।

তবে সেটা সম্ভব না হলেও আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে নির্বাচন হতে পারে বলে কমিশন নিশ্চিত করেছে। নির্বাচনের নির্দিষ্ট তারিখ জানাতে কমিশনকে চিঠি পাঠিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভি। তবে সুনিদির্ষ্ট তারিখ না জানানোয় নির্বাচন আরও পেছানো হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছে রাজনৈতিক দলগুলো।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদ বৃদ্ধিরও শঙ্কা করা হচ্ছে। গত ৯ আগস্ট পাকিস্তানে পার্লামেন্ট বিলুপ্ত ঘোষণা করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।

এরপর ক্ষমতায় আসে কেয়ারটেকার সরকার। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুসারে নভেম্বরের আগেই নির্বাচন হওয়ার কথা পাকিস্তানে।

কিন্তু পাকিস্তানের প্রাক্তন আইনমন্ত্রী আজম নাজির তারার গত ৬ আগস্ট এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, নির্বাচন কমিশনের কাছে হালনাগাদ ভোটার তালিকা না থাকায় এবার নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন সম্ভব নয়। এদিকে পাকিস্তানে সঠিক সময়ে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়েছে আমেরিকা। পাকিস্তানের কেয়ারটেকার সরকারের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপে এই আহ্বান জানান মার্কিন বিদেশমন্ত্রকের আন্ডার সেক্রেটারি ভিক্টোরিয়া নুল্যান্ড।