সুবিদ আবদুল্লাহ্: ‘মূল্যবোধের শিক্ষা না পেলে প্রকৃত মানুষ গড়ে উঠবে না। হজরত মুহাম্মদ সা. যে শিক্ষার কথা বলেছেন, স্বামী বিবেকানন্দ যে শিক্ষা-চেতনার কথা বলেছেন সেই শিক্ষা ও চেতনার আলো নিয়ে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

মালদার কালিয়াচকে টার্গেট পয়েন্ট স্কুলে এক অনুষ্ঠানে কথাগুলি  বলেন মাইনোরিটি কমিশনের চেয়ারম্যান আহমদ হাসান ইমরান। ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের উপস্থিতিতে পড়ুয়াদের উদ্দেশে তিনি জানান, এই স্কুল যে এলাকায় তার অদূরেই ছিল গৌড় সালতানাত।  মালদার সেই সমৃদ্ধশালী সালতানাতের স্বর্ণযুগ ফিরে আসুক টার্গেট পয়েন্ট স্কুলের শিক্ষা প্রসারের হাত ধরে।
উপস্থিত মায়েদের উদ্দেশে  তিনি জানান, এই জেলায় ছাত্রীদের শিক্ষার হার বাড়ছে। ছেলেদের শিক্ষার দিকেও নজর দিতে হবে। এদিন ছিল টার্গেট পয়েন্ট স্কুলের  কৃতি ছাত্রছাত্রীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। মাধ্যমিকে এক  থেকে দশের মধ্যে থাকা চারজন ছাত্রছাত্রীকে মঞ্চে সংবর্ধনা জানানো হয়। তারা হলেন গোলাম মাসুম বিশ্বাস, ফারহিন আকতার, আফিয়া আকিলা ও সুমাইয়া সুলতানা।
ইমরান সাহেব তাদের হাতে মানপত্র ও চিকিৎসা উপহার সামগ্রি তুলে দেন।

এদিন প্রথমে জাতীয় সংগীত ও পরে সমশ্রী দত্ত ও দীপিকা রায়ের উদ্বোধনী সংগীতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। ইমরান ছাড়াও এদিন উপস্থিত ছিলেন কালিয়াচক কলেজের অধ্যক্ষ ড. নাজিবুর রহমান, পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রসা শিক্ষা পর্ষদের সহ সচিব আশিফ ইকবাল, প্রাবন্ধিক মিনতী দত্তমিশ্র, শিক্ষাবিদ লুৎফুর রহমান প্রমুখ। টার্গেট পয়েন্ট রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের অন্যতম প্রাণ পুরুষ মহম্মদ উজির  হোসেন অতীতের অশিক্ষার অন্ধকারে ডুবে থাকা কালিয়াচকের মানুষের কাছে শিক্ষার আলো পৌছে দেবার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। অনুষ্ঠানের ফাঁকে ছিল আবৃত্তি, নৃত্য ও সংগীত। সমগ্র অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুর রসিদ ও নওসাদ আলি।