পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: জ্বালানি তেলের ব্যবহার কমাতে দেশবাসীর উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অপ্রয়োজনীয় জ্বালানি খরচে রাশ টানার কথা বলে তিনি নিজেও কনভয়ের গাড়ির সংখ্যা কমানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-ও একই পথে হাঁটতে চলেছেন। উত্তরপ্রদেশেও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সরকার মন্ত্রী বিধায়কদের সপ্তাহে একদিন গাড়ি ব্যবহার না করার নির্দেশ দিয়েছেন। সেই আবহে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-ও তাঁর কনভয়ের গাড়ির সংখ্যা কমানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।

এবার পুর ও নগরোন্নয়ন, নারী ও শিশু কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী অগ্নিমিত্র পাল বড় সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করলেন। 

বুধবার বিধানসভায় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের পর জ্বালানি সাশ্রয় নিয়ে সক্রিয় হন অগ্নিমিত্র । তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে সপ্তাহে অন্তত এক বা দু’দিন গণপরিবহণ ব্যবহার করে দপ্তরে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তাঁর কথায়, সাধারণ মানুষ যেভাবে বাস বা অন্যান্য গণপরিবহণে যাতায়াত করেন, তিনিও সেইভাবেই চলাফেরা করতে চান।

পশ্চিম এশিয়ায় চলতে থাকা সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের জোগান ও দামের উপর চাপ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল।

সেই পরিস্থিতিতে জ্বালানি সঞ্চয়ের উপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেন। সেই বার্তার প্রভাবই এবার রাজ্য রাজনীতিতেও দেখা গেল।

এদিন বিধানসভার বাইরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদের তিনি অপ্রয়োজনীয় গাড়ি সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত গাড়ি ব্যবহার না করাই উচিত। অগ্নিমিত্র পলও বলেন, পেট্রোল ও ডিজেলের অপচয় কমানো এখন সময়ের দাবি। গণপরিবহণে যাতায়াত করলে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ে এবং সাধারণ মানুষের মনোভাবও বোঝা যায়। অতীতে বাস ও ট্রামে যাতায়াতের অভিজ্ঞতার কথাও স্মরণ করেন তিনি।