পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ কেন্দ্রের তরফে নভেম্বর ২০২৫ থেকে নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত বন্দে মাতরম গানের ১৫০ বছর উদযাপন করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বন্দে মাতরম গান নিয়ে সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলগুলিকে বিরাট নির্দেশ দিল বিকাশ ভবন। নির্দেশে বলা হয়েছে, এই সমস্ত স্কুলগুলুলিতে প্রার্থনার সময় বন্দে মাতরম গান গাইতে হবে। 

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিকাশ ভবনের তরফে এই নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে রাজ্যের সমস্ত জেলা শাসকদের।

এরপরেই ডিআইরা নির্দেশ সমস্ত স্কুলগুলিকে পাঠিয়ে দিয়েছে ই মেল এবং হোয়াটস অ্যাপের মাধ্যমে। বন্দে মাতরম হল রাষ্ট্রগান হিসেবে পরিচিত। ফলে এবার থেকে প্রার্থনার সময় এই গান শোনা যাবে স্কুলগুলিতে। যদিও এনিয়ে শিক্ষকদের একাংশের মধ্যে ধন্দ তৈরি হয়েছে।
স্কুল শিক্ষকদের অনেকের বক্তব্য, প্রার্থনার সময় জাতিয় সঙ্গীত "জনগণমন" গাওয়া হয়। একইসঙ্গে, আগের সরকার প্রার্থনার সময় রাজ্য সঙ্গীতও গাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। গত বছরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা "‘বাংলার মাটি বাংলার জল" গানটিকে রাজ্য সঙ্গীত আখ্যা দিয়ে স্কুলগুলিতে প্রাথনার সময় তা গাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যেয়ের সরকার। আর এবার ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা আনন্দমঠ উপন্যাস থেকে সংগ্রহ করা এই গানকেও যুক্ত করা হল স্কুলের প্রার্থনায়।
ফলে শিক্ষকদের একাংশের বক্তব্য, প্রার্থনার সময় তিনটি গানই কি গাইতে হবে না কি রাজ্য সঙ্গীত বাদ যাবে। যদিও এবিষয়ে স্পষ্ট কোনও নির্দেশিকা আসেনি বলেই শিক্ষকদের একাংশ জানাচ্ছেন। 

যদিও কোনটা আগে বেরোবে বা পরে বেরবে তা নিয়ে এখনও অনেক প্রশ্ন রয়েছে শিক্ষকদের। এবিষয়ে দফতরের আরও নির্দেশিকা পেলে তবেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে তাঁরা জানাচ্ছেন। প্রসঙ্গত, এখন স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি চলছে। তবে স্কুলগুলিকে এবিষয়ে প্রস্তুত থাকতে বলে হয়েছে।