পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ গতকাল তিলজলায় অগ্নিকান্ডের জেরে মৃত্যু হয়েছে দুজনের। সেই ঘটনার পরেই এবার কড়া পদক্ষেপ নিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, যে কারখানায় আগুন লেগেছিল সেটি বেআইনি। কারখানাটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। তারপরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।কারখানাটি ভাঙতে নিয়ে যাওয়া হয় জেসিবি।

শুরু হয় কারখানাটি ভাঙার কাজ।

এদিন মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের এক ঘন্টার মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় পুলিশ, পুরসভা ও কেএমডিএর আধিকারিকরা। সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীও পৌঁছয়। বিল্ডিং ভাঙতে নিয়ে যাওয়া হয় তিনটি জেসিবি। ওই চত্বর ঘিরে রাখা হয় ব্যারিকেড দিয়ে। ঘটনাকে ঘিরে সেখানে ভিড় জমে স্থানীয়দের।

 

উল্লেখ্য,  বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেখানেই ওই কারখানা আজকের মধ্যেই ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেন। তিনি নির্দেশে বলেন, পুলিশের সহায়তায় কারখানাটি ভেঙে ফেলতে হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, এই ঘটনায় কালকেই চারটি দফতরের সমন্বয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে। আজকে ফার্স্ট আওয়ারে কমিটকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছিল। সেই কমিটি রিপোর্টে যা পাঠিয়েছে তাতে জানা গিয়েছে, ওই অবৈধ ওয়ার্কশপ বা কারখানায় কোনও বিল্ডিং প্ল্যান ছিল না।

আগুন নেভানোর কোনও ব্যবস্থা ছিল না। এটা পুরোপুরি অবৈধ।  তিনি আরও জানান, ওই বিল্ডিঙয়ের মালিক শেখ নাসির ও শামীম মহম্মদকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, কসবা, তিলজলা, মোমিনপুর, ইকবালপুর-সহ কলকাতা শহরের একাধিক এলাকায় যেখানে বিল্ডিং প্ল্যান ছাড়া অবৈধ কারখানা চলছে সেখানেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেখানে ইন্টারনাল অডিট করা হবে। এরপর খতিয়ে দেখে বিদ্যুৎ ও জলের সংযোগ কেটে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।