পুবের কলম ওয়েবডেস্ক : পাঞ্জাবের তরন-তারন জেলা থেকে অপারেশন সিঁদুর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য আই এস আইকে পাচারের দায়ে পুলিশ গগনদীপ সিং নামে এক শিখকে গ্রেফতার করল। পাঞ্জাব পুলিশের অধিকর্তা গৌরব যাদব জানিয়েছেন, পাঞ্জাব পুলিশের গোয়েন্দারা গোপন সূত্রে তথ্য পেয়েই গগনকে গ্রেফতার করেন।
আরও পড়ুন:
পাকিস্তানে লুকিয়ে থাকা খালিস্তানি নেতা গোপাল সিং চাওলার সঙ্গে গগন যোগসাজশ ছিল। গোপাল মারফত ভারতীয় সেনা সম্পর্কে তথ্য পাঠিয়ে গগন নিয়মিত অর্থ পেত পাকিস্তানের আইএস আই এবং পাকিস্তান ইন্টেলিজেন্স অপারেটিভস(পি আই ও) এর কাছ থেকে।
আরও পড়ুন:
গগন মোবাইল ঘেঁটে দেখা যাচ্ছে, অপারেশন সিঁদুর এর সময়ে সেনাবাহিনীর গতিবিধি নিয়ে স্পর্শকাতর সব তথ্য সে পি আই ও-র কাছে নিয়মিত পাঠিয়ে গিয়েছে।
কোথায় সেনাবাহিনীর জওয়ানদের মোতায়েন করা হচ্ছে, কোন কোন জায়গা থেকে বাহিনী অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করছে, যেসব খবর ভারতের নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক, তা নিয়মিত জানাত ওই গগন। তার মোবাইল থেকে পাকিস্তানের ২০ জনের তথ্য মিলেছে। গগন জেরার মুখে স্বীকার করেছে, এরা পি আই ও এবং আই এস আই এর লোক।আরও পড়ুন:
গত ৫ বছর ধরে সে সকলের অগোচরে এই চরবৃত্তি করে গিয়েছে। গগনকে জেরা করে আরও অনেক কিছু জানা যাবে বলে মনে করছে পুলিশ।
অপারেশন সিঁদুর অভিযানের পর গগনকে নিয়ে বেশ কয়েকজন ভারতীয় ধরা পড়ল, বিস্ময়করভাবে তাদের কেউই মুসলিম নয়। সকলেই অমুসলিম। এর আগে নামি এবং সুন্দরী ইউটিউবার জ্যোতি মালহোত্রা ধরা পড়ে একই অভিযোগে। তার সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে তা মারাত্মক। এছাড়া আরও কয়েকজনকে পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির দায়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।আরও পড়ুন:
সকলকেই অফিসিয়াল সিক্রেট অ্যাক্টে ধরা হয়েছে। পহেলগাঁও এ ঘটনার দিন এক সি আর পি এফ কনস্টেবল অকুস্থলের কাছে থেকেও প্রতিরোধ করেনি, এমন অভিযোগে তাকে বাহিনী থেকে সাসপেণ্ড করে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজস্থানের দিগ জেলা থেকে দুই ভাইকে গ্রেফতার করা হয়। তারা এদেশের সিম কার্ড পাকিস্তানের গুপ্তচর বাহিনীকে নিয়মিত সরবরাহ করে মোটা রুপি পেত। এর আগে দিল্লির পাকিস্তানের দূতাবাসের দুই কর্মচারীকে এদেশে 'অগ্রহণযোগ্য' ঘোষণা করে ইসলামাবাদে ফেরত পাঠানো হয়। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, তারা ভারতের বেকার ছেলেমেয়েদের অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে পাকিস্তানের হয়ে চরবৃত্তির কাজে নিযুক্ত করত।