পুবের কলম ওয়েব ডেস্কঃ শনিবার ভোররাতে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে স্ট্রংরুম ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। অভিযোগ, সেখানে নজরদারির ক্যামেরা একাধিকবার বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে দ্রুত জঙ্গিপুর পলিটেকনিক কলেজে পৌঁছে যান সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক ও তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস। স্ট্রংরুমের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের ভূমিকা নিয়ে তিনি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। নিরাপত্তায় নিয়োজিত রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে তাঁর তর্কাতর্কিও শুরু হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম দফার ভোট শেষ হওয়ার পর থেকেই স্ট্রংরুমের ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকেরা। সম্ভাব্য অশান্তির আশঙ্কায় আগে থেকেই ওই এলাকা ঘিরে পাহারা দেওয়া হচ্ছিল। শুক্রবার গভীর রাতে বায়রন বিশ্বাসের অনুগামীরাই প্রথম জানতে পারেন, স্ট্রংরুমের ক্যামেরা কাজ করছে না। প্রশাসনের উদ্যোগে তা কিছুক্ষণের মধ্যে চালু হলেও, মাঝরাতে ফের একই সমস্যা দেখা দেয় বলে অভিযোগ। এরপরই বিষয়টি জানানো হয় বায়রন বিশ্বাসকে।

ভোররাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর পরই উত্তেজনা চরমে ওঠে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। তাঁর অভিযোগ, রাতভর বারবার ক্যামেরা বন্ধ হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মহকুমাশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে প্রথমে জানানো হয়, সকালে আগে সমস্যা মেটানো সম্ভব নয়। পরে চাপের মুখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হলেও সমস্যা পুরোপুরি কাটেনি বলেই দাবি তাঁর। এই ঘটনাকে তিনি নিছক যান্ত্রিক ত্রুটি হিসেবে মানতে নারাজ, বরং এর পেছনে অন্য কারণ রয়েছে বলেও ইঙ্গিত দেন। তাঁর কথায়, " এটা টেকনিক্যাল ফল্ট নয়, দিল্লির ফল্ট।"