পুবের কলম ওয়েবডেস্ক, মেঘালয়ের শিলঙে ১৯ আগস্টের হিংসাত্মক ঘটনার তদন্তে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। অসমের নম্বরযুক্ত গাড়িতে হামলার ঘটনায় জড়িত পাঁচজন মুখোশধারীকে শনাক্ত করেছে মেঘালয় সরকার। শনিবার, ২২ আগস্ট অসম ও মেঘালয়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর এই তথ্য সামনে আসে।
আরও পড়ুন:
ঘটনার সূত্রপাত হয় ১৯ আগস্ট, খাসি স্টুডেন্টস ইউনিয়ন বা KSU-এর একটি কালো পতাকার বাইক মিছিলকে কেন্দ্র করে। সংগঠনটি মেঘালয় সরকারের কাছে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছিল।
সেই দাবিগুলো নিয়ে চলা আন্দোলনের মধ্যেই মিছিলটি বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। গাড়িতে হামলা, ভাঙচুর এবং আগুন লাগানোর ঘটনা ঘটে।আরও পড়ুন:
পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, ওই ঘটনায় ১৬ জন আহত হন এবং প্রায় ৩১টি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পথচারীদের ওপর হামলা এবং সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগও ওঠে।
অসমের নম্বরযুক্ত গাড়িগুলোকেও বিশেষভাবে হামলার লক্ষ্য করা হয়েছিল।আরও পড়ুন:
ঘটনার পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অসমের গাড়িতে হামলার প্রতিবাদে অসমের পরিবহনকর্মীরা মেঘালয়ে যাতায়াত বন্ধ করে দেন। ফলে দুই রাজ্যের মধ্যে যান চলাচলেও প্রভাব পড়ে। পরে দুই রাজ্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার উদ্যোগ নেয়।
আরও পড়ুন:
২২ আগস্ট, শিলঙের কৈনাধারা স্টেট গেস্ট হাউসে অসম ও মেঘালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়। বৈঠকে মেঘালয়ের উপমুখ্যমন্ত্রী এস ধার এবং অসমের মন্ত্রী অতুল বরা নেতৃত্ব দেন। তিন ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা বৈঠকে ঘটনার তদন্ত ও ভবিষ্যতে এমন পরিস্থিতি ঠেকানোর বিষয়ে আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন:
মেঘালয় সরকার জানিয়েছে, ঘটনায় ইতিমধ্যে ১৫টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। KSU-এর তিন শীর্ষ নেতাকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি, পুরো ঘটনার তদন্তে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করা হয়েছে।