২০২৭ সালে পবিত্র রমজান মাস, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্যোতির্বিজ্ঞান কেন্দ্র। জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, আগামী বছর ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান মাস শুরু হতে পারে। আর ঈদুল ফিতর হতে পারে ৯ অথবা ১০ মার্চ। ঈদুল আজহা পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ১৬ অথবা ১৭ মে। তবে এসব তারিখই চূড়ান্ত নয়।

ইসলামি ক্যালেন্ডারের নিয়ম অনুযায়ী, বাস্তবে চাঁদ দেখার পরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করবে।

হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রতিটি মাস ২৯ অথবা ৩০ দিনের হয়ে থাকে। নতুন চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে মাসের দৈর্ঘ্য নির্ধারিত হয়। সংযুক্ত আরব আমিরাতে চাঁদ দেখা কমিটির পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই রমজান, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহাসহ গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হয়।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাবে, ২০২৭ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি শনিবার অথবা ৭ ফেব্রুয়ারি রবিবার রমজানের নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে।

তবে ৬ ফেব্রুয়ারি, অর্থাৎ ২৯ শাবানের সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার সম্ভাবনা তুলনামূলক কম। ফলে শাবান মাস ৩০ দিনে পূর্ণ হয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজান শুরু হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

রমজান ২৯ দিনে শেষ হলে ৮ মার্চ সোমবার সন্ধ্যায় শাওয়ালের চাঁদ দেখা যেতে পারে এবং সেক্ষেত্রে ৯ মার্চ মঙ্গলবার ঈদুল ফিতর পালিত হবে। আর ওই দিন চাঁদ দেখা না গেলে রমজান ৩০ দিনে পূর্ণ হয়ে ১০ মার্চ বুধবার ঈদুল ফিতর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
অন্যদিকে, জিলহজ মাসের ১০ তারিখে পালিত হয় পবিত্র ঈদুল আজহা।

জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব অনুযায়ী, ৬ মে বৃহস্পতিবার অথবা ৭ মে শুক্রবার জিলহজ মাসের নতুন চাঁদ দেখা যেতে পারে। সেই হিসাবে ১৬ মে রবিবার অথবা ১৭ মে সোমবার ঈদুল আজহা পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে নতুন ইসলামি বছর অর্থাৎ ১৪৪৯ হিজরি শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৫ থেকে ৭ জুনের মধ্যে। জিলহজ মাসের শুরু ও দৈর্ঘ্যের ওপর নির্ভর করে মুহররম মাসের প্রথম দিন ৫, ৬ অথবা ৭ জুন হতে পারে।
তবে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক হিসাব কেবল সম্ভাব্য তারিখের পূর্বাভাস দেয়। রমজান, ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা এবং নতুন হিজরি বছরের চূড়ান্ত তারিখ চাঁদ দেখার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষই ঘোষণা করবে। তাই ঘোষিত সম্ভাব্য তারিখের সঙ্গে বাস্তব তারিখে এক দিনের পার্থক্য থাকাও স্বাভাবিক।