পুবের কলম,ওয়েবডেস্ক: থাইল্যান্ডের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন দেশটির বর্ষীয়ান মুসলিম রাজনীতিক ওয়ান মুহাম্মদ নূর মাথা। মঙ্গলবার প্রচাচাত পার্টির নেতা ওয়ান নূর বিনা ভোটে স্পিকার নির্বাচিত হন। এর মধ্য দিয়ে পদটি নিয়ে দীর্ঘ অচলাবস্থার অবসান ঘটল। স্পিকারের পদ নিয়ে থাইল্যান্ডের বড় দুই দল এবং ক্ষমতাসীন জোটের দুই শরিক মুভ ফরোয়ার্ড ও ফেউ থাই পার্টির মধ্যে মতানৈক্য দেখা দিয়েছিল। এ নিয়ে কয়েক দিন ধরে তাদের মধ্যে অচলাবস্থা চলছিল।
বলা হচ্ছে, ওয়ান নূরকে স্পিকার নির্বাচিত করতে দুটি দলই ছাড় দিয়েছে। আইন পাস, নির্বাচনের সময় নির্ধারণসহ সরকারি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও নীতি প্রণয়নে স্পিকারের ভূমিকা থাকে অনেক বেশি। স্পিকার হিসেবে মঙ্গলবার প্রতিনিধি পরিষদে শুধু ওয়ান নূরের নামই প্রস্তাব করা হয়। পদটির জন্য কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় বিনা ভোটে স্পিকার নির্বাচিত হন ৭৯ বছর বয়সী এই রাজনীতিক। এর আগে ১৯৯৬ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত থাইল্যান্ডের স্পিকার ছিলেন ওয়ান নূর।
গত ১৪ মে থাইল্যান্ডের প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচনে ভোট গ্রহণ হয়। নির্বাচনে মুভ ফরোয়ার্ড ও ফেউ থাই পার্টির কাছে বড় ব্যবধানে হেরে যায় রক্ষণশীল ও সামরিক বাহিনীর সমর্থক দলগুলো। ৫০০ আসনের মধ্যে মুভ ফরোয়ার্ড ১৫১ আসনে এবং ফেউ থাই পার্টি ১৪১ আসনে জয়ী হয়। নির্বাচনের পর আরও ছয়টি দলকে নিয়ে জোট করে সরকার গঠন করে মুভ ফরোয়ার্ড ও ফেউ থাই পার্টি। এই ছয়টি দলের একটি ওয়ান নূরের প্রচাচাত পার্টি। তাঁর দল ১০ আসনে জয়ী হয়েছে।