পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী টিউশান পড়তে গিয়েছিলেন প্রতিবেশী শিক্ষিকার বাড়িতে ৷ সেই সময় শিক্ষিকা বাড়িতে ছিলেন না ৷ শিক্ষিকার অনুপস্থিতিতে শিক্ষিকার স্বামী ওই নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করে বলে অভিযোগ ৷ ছাত্রীর চিত্কারে প্রতিবেশীরা ধরে ফেলে বৃদ্ধকে ৷ গনপিটুনি দেওয়া হয় সেই বৃদ্ধ পশুপতি মহাপাত্রকে ৷ ছাড়াতে এসে প্রহৃত হলেই স্ত্রী শিক্ষিকাও ৷ পরে তাদের তুলে দেওয়া হয়েছে পুলিশের হাতে ৷ ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুরে ৷
আরও পড়ুন:
প্রাথমিক স্কুলের এক ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশে আসতেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল এলাকা। গ্রামবাসীদের হাতে প্রহৃত হল ওই ছাত্রীর শিক্ষিকার স্বামী।ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর লোকাল থানার অন্তর্গত বলরামপুর এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অন্যান্য দিনের মতো মঙ্গলবারও ওই এলাকার এক নাবালিকা ছাত্রী শিক্ষিকার কাছে পড়তে যায়। পড়ানোর সময় শিক্ষিকা অন্য কাজে বাইরে যায়।
সেই সুযোগে শিক্ষিকার স্বামী ওই ছাত্রীর শরীরে একাধিক আপত্তিকর স্থানে হাত দেওয়ার চেষ্টা করে এবং তার উপর নিপীড়ন চালায় বলে অভিযোগ। ছোট্ট শিশু চিৎকার করে উঠলে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসে।হাতে নাতে ধরে ফেলে অভিযুক্তকে বেধড়ক প্রহার করে ৷আরও পড়ুন:
গ্রামবাসীরা ঘটনার কথা জানার পর শিক্ষিকার বাড়ির সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখায়। শিক্ষিকার স্বামী পশুপতি মহাপাত্রকে গ্রামবাসীরা গণপিটুনি দেয় ৷তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন পশুপতির স্ত্রীও, পুলি তাঁকেও উদ্ধার করে নিয়ে যায় ৷ খড়গপুর লোকাল থানার পুলিশ পৌঁছে রক্তাক্ত অবস্থায় পশুপতি মহাপাত্রকে আটক করে খড়গপুর থানায় নিয়ে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে খড়গপুর লোকাল থানায় অভিযোগ করা হয়েছে।