উজ্জ্বল বন্দ্যোপাধ্যায়: এবার মোবাইল চুরির অপবাদে এক কিশোরকে মারধর,বেঁধে উলটো করে ঝুলিয়ে ইলেকট্রিকের শক দেওয়ার অভিযোগ।আর মধ্যযুগীয় এই বর্বরতার ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সন্তোষপুর রবীন্দ্রনগর থানা এলাকায়।
আরও পড়ুন:
ওই কিশোরের বাড়ি উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর এলাকায়। মাস খানেক আগে দাদার সঙ্গে সে রবীন্দ্রনগর এলাকার একটি কারখানায় কাজ করতে গিয়েছিল বলে খবর।পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। আর এই ঘটনা জানাজানির পর থেকেই পলাতক ওই কারখানার মালিক।তাঁর খোঁজ শুরু করেছে পুলিশ।
আরও পড়ুন:
জানা গিয়েছে, রবীন্দ্রনগর থানার মহেশতলা পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কানকুলি পূর্ব পাড়ায় জিন্সের প্যান্ট রং করার কারখানা আছে। প্রায় তিন বছর আগে ভাড়া নিয়ে ওই কারখানা চালু করেন শাহেনশা নামে এক ব্যক্তি। ইসলামপুরের ওই কিশোর দাদার সঙ্গে সেই কারখানায় কাজ করতে গিয়েছিল। নাবালক হলেও কেন তাকে কাজে নেওয়া হয়ে ছিল?
আরও পড়ুন:
তবে এখন সেই প্রশ্নও উঠেছে। এদিকে, ওই কারখানায় নারকীয় অত্যাচারের শিকার হল ১৪বছরের এক কিশোর।ওই কারখানায় একটি মোবাইল ফোন চুরি গিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে।
সেই ফোন ওই কিশোর চুরি করেছে বলে অপবাদ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। আর তারই শাস্তি স্বরূপ কিশোরের উপর নারকীয় অত্যাচার চালানো হয়।কোন ও একটি কাজ দিয়ে কিশোরের দাদাকে কারখানার বাইরে পাঠানো হয়েছিল। সেসময়ে ওই কিশোরকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। সেখানেই খান্ত হয়নি।আরও পড়ুন:
এরপর ওই কিশোরের হাত-পা দড়ি দিয়ে বেধে তাঁকে উলটো করে ঝুলিয়ে ইলেকট্রিকের শক দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের দাগ ও হয়ে গিয়েছে বলে খবর।
ইসলামপুরে ওই কিশোরের পরিবারও ঘটনার কথা জানতে পারে। মোবাইল ফোনে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হলে সব কথা ওই কিশোর জানিয়েছে বলে খবর। রবীন্দ্রনগর থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুন:
এ দিকে ঘটনা জানাজানির পরই কারখানার মালিক শাহেনশা নামক ব্যক্তি পলাতক। ওই কারখানাও বন্ধ রয়েছে বলে খবর। পুলিশ কারখানার কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। অভিযুক্ত মালিকের খোঁজেও চলছে তল্লাশি।আর এই ঘটনার তীব্র ভাষায় নিন্দা করেছে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষজন।