পারিজাত মোল্লা: কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে নির্দেশ জারি করা হলো।প্যানেল প্রকাশ হওয়ার পরও মেলেনি চাকরি। ১৪ বছর আগের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যে নিয়োগ হওয়ার কথা ছিল, সেই চাকরির অপেক্ষা চলছে ১৪ বছর পরও। প্রাথমিক নিয়োগ সংক্রান্ত ওই মামলায় অবিলম্বে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।
আরও পড়ুন:
ডিভিশন বেঞ্চ বৃহস্পতিবার নির্দেশ দিয়ে জানিয়েছে, -' আগামী ৩০ অগস্টের মধ্যে ওই সব শূন্যপদ পূরণ করতে হবে'।
বলা হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (জেলা) প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে অবিলম্বে যে শূন্যপদ রয়েছে তাতে নিয়োগ করতে হবে । আগামী ৩০ অগস্টের মধ্যে যদি এই নির্দেশ না-মানা হয় তাহলে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করবে আদালত ।আরও পড়ুন:
আদালত সুত্রে প্রকাশ, গত ২০০৯ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দক্ষিণ ২৪ পরগনা (জেলা) প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে মোট ১ হাজার ৫০৬টি পদে ৩০ অগস্টের মধ্যে নিয়োগের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। গতবছর আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও তা পালন না-করায় শিক্ষা সচিবের রিপোর্ট তলব করে ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন শিক্ষা দফতরের সচিব একটা রিপোর্ট দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চে ।
রিপোর্টে জানানো হয়েছে, চলতি মাসের ৮ তারিখে ১ হাজার ৪০৩টি সুপার নিউমোরিক পদ পূরণের অনুমতি দিয়েছেন রাজ্যপাল । দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আগেই ১০৩টি শূন্যপদ রয়েছে । তাহলে মোট পূরণের পদ দাঁড়ায় ১ হাজার ৫০৬টি শূন্যপদ। সচিবকে ফের নিয়োগের বিষয়ে ৩০ অগস্ট রিপোর্ট দিতে নির্দেশ ডিভিশন বেঞ্চের।আরও পড়ুন:
গত ২০০৯ সালে রাজ্যের মোট চারটি জেলা মালদা, হাওড়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় প্রাইমারিতে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে ছিল সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ।
অন্যান্য জেলার সমস্যার সমাধান হয়ে গেলেও এখনও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় নিয়োগের সমস্যা মেটেনি। গতবছর ১০ নভেম্বর দক্ষিণ ২৪ পরগনার নিয়োগ বিষয় দ্রুত সমাধান করতে নির্দেশ দেয় আদালত । এই নির্দেশ দেওয়া হয় ১৪দিনের মধ্যে কার্যকর করতে। কিন্তু তাও করা হয়নি বলে, আদালত অবমাননার আবেদন করেন চাকরিপ্রার্থীরা।এদিন সেই মামলার শুনানিতেই রাজ্যের উপর অসন্তুষ্ট কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ । তাই রাজ্যকে আগামী ৩০ অগস্টের মধ্যে ওই পদে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশ যদি মেনে না-নেওয়া হয় তাহলে পরবর্তীতে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করবে আদালত, এমনটাই এদিন জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।