মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করে হরমুজ প্রণালিকে ‘কবরস্থান’ বানানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। তেহরানের এক্সপেডিয়েন্সি কাউন্সিলের সচিব ও সাবেক আইআরজিসি কমান্ডার মোহসেন রেজায়ি এই মন্তব্য করেছেন।
আরও পড়ুন:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মোহসেন রেজায়ি যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের ‘একমাত্র জলদস্যু’ বলে অভিহিত করেন। তাঁর দাবি, বিমানবাহী রণতরী ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র সমুদ্রপথে আধিপত্য বিস্তার করছে।
একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, ইরানের কাছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার সক্ষমতা রয়েছে এবং হরমুজ প্রণালি সেই সংঘাতের ‘চূড়ান্ত সমাধিস্থল’ হয়ে উঠতে পারে।আরও পড়ুন:
বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে এমন মন্তব্যে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এই জলপথ দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, ফলে এখানে উত্তেজনা বাড়লে বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও বড় প্রভাব পড়তে পারে।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানকে ঘিরে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
তিনি সতর্ক করে জানিয়েছেন, তেহরান যদি কোনও ‘উসকানিমূলক’ পদক্ষেপ নেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক হামলা চালাতে পিছপা হবে না। যদিও একইসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের তরফে প্রস্তাবিত একটি সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।আরও পড়ুন:
বর্তমান সংকটের প্রেক্ষাপটে ইরান ১৪ দফার একটি শান্তি প্রস্তাবও দিয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রস্তাবে ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার, জব্দ সম্পদ মুক্ত করা এবং যুদ্ধজনিত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবরোধ তুলে নেওয়া হলে তেহরান পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনায় বসতে রাজি বলেও জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুন:
তবে এই আলোচনার শর্ত হিসেবে ইরান ভবিষ্যতে কোনও সামরিক আগ্রাসন না হওয়ার নিশ্চয়তা এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের মতো কঠিন দাবিও তুলেছে।