পুবের কলম, ওয়েবডেস্কঃ মাদককাণ্ডে জেলবন্দী শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খান (Aryan Khan) । এই ঘটনায় সরগরম রাজ্য-রাজনীতি।
ইতিমধ্যেই আরিয়ান খানের জামিন পিছিয়েছে, শাহরুখ খানও আর্থার জেলে এসে পুত্র আরিয়ানের সঙ্গে দেখা করে গেছেন।
এই ঘটনার তদন্তে রয়েছেন এনসিবির (আঞ্চলিক প্রধান) সমীর ওয়াংখেড়ে (Sameer Wankhede)।
আরও পড়ুন:
এদিকে এবার নিজেই আতঙ্কের মধ্যে সমীর ওয়াংখেড়ে। কারণ তাঁর বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর দাবি তুলেছেন মাদক মামলার সাক্ষী কে পি গোসাভির ব্যক্তিগত দেহরক্ষী প্রভাকর সেইল। তিনি জানিয়েছেন, টাকার বিনিময়ে তাকে মিথ্যা মামলায় সাক্ষী দিতে চাপ দেন এনসিবি কর্তা সমীর ওয়াংখেড়ে। তাই এবার তদন্তের মুখে এনসিবি কর্তা।
আরও পড়ুন:
সোমবার মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ও এনসিবি কর্তা সমীর ওয়াংখেড়ে NDPS আদালতে হলফনামা জমা দিয়েছেন।
তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন NCB-র আঞ্চলিক প্রধান সমীর ওয়াংখেড়ে।আরও পড়ুন:
প্রমোদতরী মাদক কাণ্ডে সাক্ষী কে পি গোসাভির ব্যক্তিগত দেহরক্ষী প্রভাকর সেইল এনসিবি কর্তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ করে জানিয়েছিলেন, আরিয়ান খান মামলায় সমীরের ওয়াংখেড়ের সঙ্গে ৮ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছে। মুম্বই পুলিশ কমিশনারকে চিঠি লিখে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হতে পারে, এমনকী তাকে হত্যা করা হতে পারে বলেও অভিযোগ তুলেছিলেন প্রভাকর।
আরও পড়ুন:
এমনকী প্রভাকর জানান, তাকে গত ৩ অক্টোবর NCB-র দফতরে ডাকা হয়েছিল। সেইদিনও তার ওপর চাপ সৃষ্টি করে সাদা কাগজে সই করিয়ে নেওয়া হয়। একের পর এক অভিযোগে নড়েচড়ে বসে NCB। এবার সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার সকালেই NDPS আদালতে হলফনামা জমা দেন সমীর ওয়াংখেড়। সেই হলফনামায় NCB-র আঞ্চলিক প্রধান তার বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
আরও পড়ুন:
ওয়াংখেড়ে জানিয়েছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। এমনকী দুটি রাজনৈতিক দল তাকে তার চাকরি কেড়ে ও পরিবারের প্রতিও হুমকি দিচ্ছে। পরিবারের কথা ভেবে তিনি আতঙ্কিত।
আরও পড়ুন:
প্রসঙ্গত, প্রথম থেকেই মাদককাণ্ডে আরিয়ান খানের গ্রেফতার নিয়ে সরগরম হয়ে ওঠে বিনোদন জগৎ। এর পর ক্রমশ এই ঘটনায় রাজনৈতিক রং লাগে। গত ২ অক্টোবর প্রমোদতরী থেকে আটক হন বলিউডের বাদশার পুত্র আরিয়ান। ৩ অক্টোবর তাকে গ্রেফতার করা হয়।
এদিকে ঘটনা অন্যদিকে মোড় নেয়। শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত একটি ভিডিও ট্যুইট করেন।
এদিকে, এই ভিডিও পোস্ট করে সঞ্জয় রাউত প্রশ্ন তোলেন, প্রত্যক্ষদর্শীদের ফাঁকা পাতায় স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়ার ঘটনা থেকে কোটি টাকার ডিলের অভিযোগ নিয়ে।
আরও পড়ুন:
এর পর গোসাভির ঘনিষ্ঠ বলে নিজেকে পরিচিতি দেওয়া প্রভাকর সইলের ভিযোগ, একটি সাদা কাগযে তাঁকে সাক্ষর করতে বলা হয়। তাঁর বিস্ফোরক দাবি, আরিয়ান কাণ্ডের নিষ্পত্তির জন্য ২৫ কোটির টাকার ডিলের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে তিনি শুনেছেন। এদিকে, এই দাবিকে সরাসরি খারিজ করে এনসিবি।
আরও পড়ুন:
প্রভাকর সইল নিজেকে কেপি গোসাভির বডিগার্ড রূপে পরিচয় দিয়েছেন। আরিয়ান কাণ্ডে নিয়ে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। এই ঘটনা কোনদিকে মোড় দেয় সেদিকেই এখন তাকিয়ে গোটা দেশ।