পুবের কলম, ওয়েব ডেস্ক: গাজার আল আহলি হাসপাতালে ইসরাইলের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন তিন সাংবাদিক। আহত হয়েছেন আরও এক সাংবাদিক। যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় সংবাদকর্মীদের উপর এই নির্মম হামলা নতুন করে নিন্দার ঝড় তুলেছে।
এর মধ্যেই রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় নিঃশর্ত ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতির পক্ষে একটি প্রস্তাব আনা হয়। কিন্তু সেই প্রস্তাব আটকে দেয় আমেরিকা। নিরাপত্তা পরিষদের নিয়ম অনুযায়ী, কোনও একটি স্থায়ী সদস্য দেশ ভেটো দিলে প্রস্তাব পাশ হয় না। এবার একমাত্র আমেরিকাই শান্তির পক্ষে আনা প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে।
গাজার প্রতিরোধ শক্তি হামাস বরাবরই স্থায়ী যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে শান্তির দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু আমেরিকা, ইসরাইল এবং কিছু পশ্চিমি সংবাদমাধ্যম হামাসকেই যুদ্ধের জন্য দায়ী করে চলেছে। বাস্তবে গাজার মাটি থেকে ইসরাইলি সেনা সরাতে নারাজ বলেই শান্তি আলোচনায় অগ্রগতি হচ্ছে না।
বৃহস্পতিবার ইসরাইলের সম্প্রচার বিভাগের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গাজায় হামাস-বিরোধী কয়েকটি শক্তিকে অর্থ সাহায্য দিচ্ছেন। এই তথ্য দিয়েছেন ইজরায়েলের প্রাক্তন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী অ্যভিগডোর লিবেরম্যান।
গত রবিবার গাজার রাফায় একটি ত্রাণ শিবিরে গুলি চালায় ইসরাইলি সেনা। ২৭ জনের মৃত্যু হয়। ক্ষুধার্ত সাধারণ মানুষের ওপর এভাবে বারবার গুলি চালানোর ঘটনা বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের বদলে এখন গাজায় ত্রাণ বিলির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে আমেরিকা ও ইসরাইলের তৈরি একটি নতুন সংস্থা ‘গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন’-কে। এই সংস্থা গুলিচালনার অভিযোগ অস্বীকার করলেও একাধিক ভিডিও ফুটেজে প্রমাণ মিলেছে, ইসরাইলি সেনারাই এই হামলার জন্য দায়ী।




























