পুবের কলম প্রতিবেদক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা প্রথম বর্ষের পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তোলপাড় রাজ্য। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজাও। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে র্যাগিং বন্ধের দাবিতে অবস্থানে বসে ছাত্র সংগঠন আইসা। সেই অবস্থান থেকে স্লোগান ওঠে, তৃণমূল দূর হঠো। তৃণমূলপন্থী শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী, ছাত্ররা কালো পতাকা নিয়ে মিছিল করেন। দুই কর্মসূচি ঘিরে সাময়িক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। তৃণমূলের অভিযোগ কোনও কোনও মহল এই ঘৃন্য ঘটনা নিয়েও রাজনীতি করছে।
আরও পড়ুন:
এরই মধ্যে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ে আসছে ইউজিসির অ্যান্টি র্যাগিং সেল। ইউজিসি রবিবারই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে ওই ছাত্রের মৃত্যু নিয়ে ২৪ ঘন্টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে। কিন্তু এই মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনও উপাচার্য নেই। অস্থায়ীভাবে কাজ চালাচ্ছেন সহ উপাচার্য। গত চার দিন ধরে ওই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরেও রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু ক্যাম্পাসে না আসায় বিভিন্ন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
আরও পড়ুন:
এসএফআইয়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিট রবিবারই সাংবাদিক বৈঠক করে বলে, রেজিস্ট্রার ক্যাম্পাসে আসার সময় পাচ্ছেন না। অথচ তিনি বিয়ে বাড়িতে যাওয়ার সময় পাচ্ছেন।
সোমবার অবশ্য ক্যাম্পাসে আসেন রেজিস্ট্রার। তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা আমি চোখে দেখতে পারি না, তাই ক্যাম্পাসে আসিনি। আমি অফিসারদের কাছ থেকে সমস্ত খবর নিয়েছি। তাদের সঙ্গে আমার সবসময় যোগাযোগ ছিল। তদন্ত চলছে। তদন্ত কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পদক্ষেপ করা হবে। কথা বলতে বলতে রেজিস্ট্রার কেঁদেও ফেলেন।আরও পড়ুন:
এদিনই বৈঠকে বসে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ কমিটি। সোমবারও দফায় দফায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে মিছিল হয় বিভিন্ন সংগঠনের। সব মিলিয়ে ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি যথেষ্টই উত্তাল। ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিন জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের জেরা চলছে। পুলিশের দাবি, ধৃত যাদবপুরের প্রাক্তনী সৌরভ এখনও অনেক কিছু পরিষ্কার করে বলছেন না। তিন জনকে মুখোমুখি বসিয়েও জেরা করা হচ্ছে।