রাজ্যসভার ২৬টি আসনে নির্বাচনের দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন। আগামী ১৮ জুন একসঙ্গে হবে ভোটগ্রহণ। আটটি রাজ্যের ২৪ জন সাংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পাশাপাশি মহারাষ্ট্র ও তামিলনাড়ুর দুটি আসনে উপনির্বাচনও হবে, কারণ সংশ্লিষ্ট সাংসদরা নির্ধারিত মেয়াদের আগেই পদত্যাগ করেছেন।
আরও পড়ুন:
যে রাজ্যগুলিতে ভোট হবে সেগুলি হল অন্ধ্রপ্রদেশ, গুজরাট, ঝাড়খণ্ড, মধ্যপ্রদেশ, মণিপুর, মেঘালয়, রাজস্থান, অরুণাচল প্রদেশ, কর্নাটক এবং মিজোরাম।
এর মধ্যে অন্ধ্রপ্রদেশ, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও কর্নাটকে একাধিক আসনে ভোট হওয়ায় রাজনৈতিক লড়াই যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।আরও পড়ুন:
রাজ্যভিত্তিক হিসেব অনুযায়ী অন্ধ্রপ্রদেশে ৪টি, গুজরাটে ৪টি, ঝাড়খণ্ডে ২টি, মধ্যপ্রদেশে ৪টি, মণিপুরে ১টি, মেঘালয়ে ১টি, রাজস্থানে ৪টি, অরুণাচলে ১টি, কর্নাটকে ৪টি এবং মিজোরামে ১টি আসনে নির্বাচন হবে।
এবারের নির্বাচনে নজরে রয়েছেন একাধিক বর্ষীয়ান নেতা। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৌড়া এবং কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংয়ের মতো হেভিওয়েট নেতাদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। ফলে এই নির্বাচন শুধু সাংসদ বাছাইয়ের লড়াই নয়, জাতীয় রাজনীতির ভবিষ্যৎ সমীকরণের দিক থেকেও অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
আরও পড়ুন:
বর্তমানে যে ২৬টি আসনে ভোট হচ্ছে, তার মধ্যে ১২টি বিজেপির দখলে রয়েছে। কংগ্রেসের হাতে রয়েছে ৪টি আসন। বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভায় বর্তমান সংখ্যার অঙ্ক বিচার করে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বিজেপি নিজেদের আসন ধরে রাখার পাশাপাশি আরও কিছু আসন বাড়াতে পারে। একইভাবে কংগ্রেসও কিছু ক্ষেত্রে বাড়তি আসনের আশা করছে।
আরও পড়ুন:
এই মুহূর্তে ২৪৫ সদস্যের রাজ্যসভায় বিজেপির সদস্যসংখ্যা ১১৩।
এনডিএ জোটের মোট আসন ১৪৪, যা সংখ্যাগরিষ্ঠতার নিরিখে যথেষ্ট স্বস্তিদায়ক। এবার নির্বাচনের পর সেই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে গেরুয়া শিবিরের আশা। রাজনৈতিক মহলের মতে, ফল ঘোষণার পর এনডিএ’র আসনসংখ্যা ১৫০-র কাছাকাছি পৌঁছতে পারে। বিজেপিও এককভাবে ১১৫ আসনের গণ্ডি ছুঁতে পারে।আরও পড়ুন:
অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের বর্তমান শক্তি ৭৯। এর মধ্যে কংগ্রেসের রয়েছে ২৭টি আসন, তৃণমূল কংগ্রেসের ১২টি এবং ডিএমকের ৮টি আসন। ফলে আগামী রাজ্যসভা নির্বাচন যে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন বার্তা দিতে চলেছে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।