পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: আচমকা আক্রমণে ইসরাইলকে হতবাক করে দিয়েছে হামাস যোদ্ধারা। ৭৫ বছরের দখলদারির জবাব দিতে চায় ফিলিস্তিন। গত এক বছরে ইসরাইলি হানাদার বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছে ৩০০-র বেশি ফিলিস্তিনি। আল আকসা মসজিদে অভিযান চালিয়ে রক্তাক্ত করেছে পবিত্র প্রাঙ্গন। তার হিসেব বুঝে নিতে চায় মুক্তিকামী হামাস। বিধ্বস্ত ইসরাইল এখন আমেরিকা-ফ্রান্সের সাহায্যপ্রার্থী।
তবে দেশটিতে পড়তে যাওয়া ভারতীয়রা এই হামলা নিয়ে আতঙ্কবোধ করছেন। তবে তারা নিরাপদেই আছেন। যদিও হামাস যোদ্ধারা জানিয়ে দিয়েছে, কোনও সিভিলিয়ানকে যেন আক্রমণ না করা হয়।তবে ইসরাইল যেভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে তাতে ভারতীয় পড়ুয়ারা চিন্তিত না হয়ে পারছেন না। নিয়মিত সেদেশে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন এই সমস্ত পড়ুয়ারা। ইসরাইলে আটকে থাকা এক ভারতীয় ছাত্র গোকুল মানবালান জানান, আমি অত্যন্ত নার্ভাস।
তবে সৌভাগ্যবশত আমরা শেল্টার পেয়েছি। ইসরাইলি পুলিশও কাছাকাছিই রয়েছে। এখনও পর্যন্ত নিরাপদেই রয়েছি। আমরা ভারতীয় দূতাবাসের লোকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছি। আর এক ভারতীয় পড়ুয়া বিমল কৃষ্ণমূর্তি জানাচ্ছেন, বারবার হামলার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ভারতীয় দূতাবাস আমাদের সকলের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখেছে।
হিব্রু ইউনিভার্সিটির এক পড়ুয়া জানান, শনিবার ধর্মীয় ছুটি চলাকালীন সকালে আচমকাই আক্রমণ হয়েছে। আমরা ডরমিটরিতে আছি। তেমন কোনও অসুবিধা নেই। ভারতীয় দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, দেশটিতে ১৮ হাজার ভারতীয় রয়েছে। ডায়মন্ড ট্রেডার থেকে শুরু করে চাকরি করেন এমন লোকও রয়েছে। ফিলিস্তিনে ভারতীয় অফিসে সেখানে বসবাসরত ভারতীয়দের নিরাপদে রাখা হয়েছে।ভারতীয়রা ভয় পেলেও ইসরাইল দমছে না। তারা হার স্বীকার করতে চাইছে না। পালটা হুঙ্কার দিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, গাজা শহরকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করব

শেষ আপডেট: ৮ অক্টোবর ২০২৩, ১২:৫৩

আরও খবর