পুবের কলম ওয়েব ডেস্ক: দীর্ঘ অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অষ্টাদশ ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নিতে শনিবার দুপুরে ভারতের মাটিতে পা রাখলেন চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। তাঁর সঙ্গে এসেছেন চিনা কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতা কাই কি এবং চিনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ওয়াং ই। নয়াদিল্লির বিমানবন্দরে চিনা প্রেসিডেন্টকে স্বাগত জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতিন প্রসাদ। শনিবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বসবেন জিনপিং।
আরও পড়ুন:
২০১৯ সালের পর এই প্রথম ভারত সফরে এলেন চিনের প্রেসিডেন্ট।
এই দীর্ঘ সময়ে গালওয়ানের রক্তক্ষয়ী সংঘাত, ডোকলাম ও অরুণাচল নিয়ে টানাপোড়েনের জেরে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ব্যাপক দূরত্ব তৈরি হয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে মোদী ও জিনপিংয়ের এই বৈঠক আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিরক্ষা, সীমান্ত সমস্যা সমাধান, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং দুই দেশের মধ্যে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালুর মতো জরুরি বিষয়গুলি এদিনের বৈঠকের মূল আলোচ্যসূচিতে রয়েছে। এর আগে চিনা রাষ্ট্রদূত জু ফেইহং সমাজমাধ্যমে ইতিবাচক বার্তা দিয়ে জানিয়েছেন, মতপার্থক্য সামলে সুদূরপ্রসারী সহযোগিতার লক্ষ্যে ভালো প্রতিবেশীর মতো একসঙ্গে এগোতে চায় দুই দেশ। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, লাদাখ সংঘাতের পর বরফ গলিয়ে ভারত ও চিনের এই কাছাকাছি আসা আমেরিকা যেমন সতর্ক দৃষ্টিতে দেখছে, তেমনই কৌশলগত দিক থেকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও নতুন অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।