পুবের কলম, ওয়েবডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের ভোটার তালিকা সংক্রান্ত 'বিশেষ নিবিড় সংশোধন' (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে মুখ খুললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার। বৃহস্পতিবার আমেদাবাদ ম্যানেজমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বৈজ্ঞানিক সত্যের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, রাজনৈতিক আক্রমণ সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশনের কাজের স্বচ্ছতা ও সততা চিরকাল অটল। গুজরাটে দুই দিনের সফরের অংশ হিসেবে আয়োজিত সভায় তিনি বলেন, "সূর্য পূর্বে ওঠাই যেমন একটি চিরন্তন ও অবিনশ্বর সত্য, ঠিক তেমনই রাজনৈতিক আক্রমণ ও সমালোচনা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশনের কাজের সততা এবং নিরপেক্ষতা অনড়।"
 
ভোটার তালিকা থেকে ভুয়া নাম বাদ দেওয়ায় ভোটদানের শতাংশ কৃত্রিমভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে— বিরোধীদের এই দাবিকে সরাসরি নস্যাৎ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। তিনি জানান, সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনগুলোতে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত এবং রেকর্ড সংখ্যক অংশগ্রহণই ভারতীয় গণতন্ত্রের প্রতি তাঁদের গভীর আস্থার প্রমাণ।


 
আমেদাবাদে গান্ধী আশ্রম দর্শনের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনার ঐতিহাসিক 'আদালজ বাওলি' পরিদর্শন করেন। সেখানকার সূক্ষ্ম স্থাপত্যশৈলী ও কারুকার্য ঘুরে দেখার পর গান্ধীনগরের কালেক্টর রবীন্দ্র খাতালে এবং স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান তাঁকে স্মারক উপহার দেন। পরবর্তীতে তিনি দান্তালি, জমিয়াতপুরা, শেরথা ও মানেকবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথ লেভেল অফিসারদের সঙ্গেও কথা বলেন। আমদাবাদের সভায় উপস্থিত তরুণ ও সাধারণ নাগরিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী প্রত্যেক যোগ্য নাগরিকের উচিত ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত করা এবং ভোটাধিকার প্রয়োগ করা। কোটি কোটি মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই সুবিশাল নির্বাচনী প্রক্রিয়াই ভারতীয় গণতন্ত্রের প্রধান স্তম্ভ।