পুবের কলম ওয়েবডেস্ক, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ফের সক্রিয় হয়েছে মৌসুমি বায়ু। উত্তরাখণ্ডের কেদারনাথে মেঘভাঙা বৃষ্টির পর ধস নামে। বড় বড় পাথর পড়ে কেদারনাথের পদযাত্রার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। দেহরাদূন ও নৈনিতালেও ভারী বৃষ্টি চলছে।

রাজ্যের সব জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।


উত্তরপ্রদেশে পরিস্থিতি আরও খারাপ। গঙ্গা-যমুনা-সহ ১০টির বেশি নদীর জল বাড়ায় ২৬টি জেলা বন্যাকবলিত। চার লক্ষের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত।

মির্জাপুরে সেতু এবং ফারুখাবাদে জাতীয় সড়ক জলের তলায় চলে গিয়েছে। উন্নাওয়ে গঙ্গার জল বাড়ায় বহু গ্রামের মানুষ অস্থায়ী নৌকা ব্যবহার করছেন।


বিহারে আটটি নদী বিপদসীমার উপর দিয়ে বইছে। ১৪টি জেলার ২,৩৬০টি গ্রামে প্রায় ৪৪ লক্ষ মানুষ বন্যায় আটকে পড়েছেন।

২৭,৯৫৪ জনকে ত্রাণশিবিরে রাখা হয়েছে। ভাগলপুরের তিলকামাঝি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেও গঙ্গার জল ঢুকেছে।


মধ্যপ্রদেশে তিন দিনের বিরতির পর ফের সক্রিয় হয়েছে মৌসুমি বায়ু। শুক্রবার ১২টি জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে। দামোহে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। রাজস্থানেও নয়টি জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি হয়েছে। ঝাড়খণ্ডের কয়েকটি জেলাতেও ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।