পুবের কলম ওয়েবডেস্ক :
খুনের ঘটনায় জেলে থাকা অবস্থাতেই নদিয়ার হরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ফাতেমা বিবির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশ করলেন ১৫ জন পঞ্চায়েত সদস্য, তাদের মধ্যে দুজন কংগ্রেসের বাকি ১৩ জন তার নিজের দল তৃণমূলের। প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা ঘিরে পঞ্চায়েত রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ফাতেমা বিবি একটি খুনের মামলায় বর্তমানে জেল হেফাজতে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া এখনও চলমান।
অনাস্থা প্রস্তাবে পঞ্চায়েতের কতজন সদস্যের সমর্থন রয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত ভোটাভুটিতে প্রধানের বিরুদ্ধে সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি হয় কি না, এখন সেটাই বড় প্রশ্ন। নিয়ম মেনে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে, সেদিকেও নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।
প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব পেশের ঘটনায় পঞ্চায়েতের অন্দরে শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক টানাপোড়েন। বিরোধী শিবিরের বক্তব্য, প্রধানের অনুপস্থিতিতে পঞ্চায়েতের স্বাভাবিক কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে, ফাতেমা বিবির সমর্থকদের দাবি, খুনের মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এখনও আদালতে বিচারাধীন; ফলে আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগে তাঁকে দোষী হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত নয়।
এদিকে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে এলাকায় শুরু হয়েছে জল্পনা—প্রধানের পদ কি শেষ পর্যন্ত হাতছাড়া হবে, নাকি ভোটাভুটিতে তিনি টিকে যাবেন? পঞ্চায়েতের সদস্যদের অবস্থান এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের উপরই এখন নির্ভর করছে হরনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের পরবর্তী রাজনৈতিক সমীকরণ।
খুনের মামলায় ফাতেমা বিবির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালতের বিচারাধীন। অনাস্থা প্রস্তাবও নিজস্ব প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নিষ্পত্তি হবে।